রফিকুল ইসলাম জসিম ।। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়ায় একটা শিশুর ভিডিও। পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন আয়াত আবার
কখনোবা কোরআনের অর্থসহ টিউটোরিয়ালে ইসলামের আলো ছড়াচ্ছে মাত্র ১০ বছরে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিশু ফাতিহা আয়াত৷ বাবা ব্যারিস্টার আফতাব আহমেদ। মা সালমা আকতার একজন স্কুল শিক্ষিকা। ফাতিহা বাবা-মা'র সাথে নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসে বসবাস করেন।
ইসলামের আলো ছড়ানোর পাশাপাশি জাতিসংঘ, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে দিয়েছেন অসংখ্য বক্তব্য। ১৬তম আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলন ২০১৯, ইউএন ডে এবং উইমেন পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাজেন্ডাতে অংশ নিয়ে শিশু নির্যাতন, লিঙ্গ বৈষম্য, পারিবারিক সহিংসতায় শিশুদের সমস্যা, শরণার্থী শিশুদের অমানবিক জীবন নিয়ে বক্তব্য তুলে ধরেছে।
ফাতিহার করা কিছু ভিডিও টিউটোরিয়াল আছে তার ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল। তাদের বাসায় লিভিং রুমের এক কোনায় তার স্টুডিও আছে। আগে বাবা-মা সাহায্য করত, এখন সে নিজেই সাজগোজ করে লাইট-ক্যামেরা রেডি করে ভিডিও রেকর্ড করে, নিজেই প্রিমিয়ার প্রো অথবা ফাইনাল কাট প্রো’–তে এডিট করে নিজেই ভিডিও আপলোড করে। গণিত ছাড়াও ফাতিহা বিজ্ঞান, ভূগোল, কোডিং, কোরআনের তাফসির, সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়েও বিভিন্ন কনটেন্ট আপলোড করে।
আমেরিকার একটি টিভি চ্যানেল ২০১৯ সনে রমজান মাসব্যাপী একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। সেই অনুষ্ঠানের নাম ছিল রামাদান উইথ ফাতিহা। সেই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিল ফাতিহা।
সে যেদিন প্রথম রোজা রাখে, সে দিন খুব খেতে চেয়েছিল। ইফতারের আগে ফাতিহার মনে হচ্ছিল, বুঝি পৃথিবীর সব খাবার আর পানি সে খেয়ে ফেলবে। তার বাবা তখন তাকে বলেছেন, তার সেদিন যেমন ক্ষুধা লেগেছে, তেমনই ক্ষুধা–তৃষ্ণায় প্রতিদিন কাতর থাকে ইয়েমেন, সিরিয়া, ফিলিস্তিন, সোমালিয়া, ইথিওপিয়ার তার বয়সী হাজারো শিশু। সেদিন থেকেই ফাতিহা তার স্বপ্ন বদলে ফেলেছে।
ফাতিহার কথার যাদুতে মুগ্ধ মানুষ। আমেরিকার বুকে নিজেকে মেলে ধরেছেন যেন আমেরিকার বুকে বাংলার এক টুকরো নক্ষত্র। আমেরিকার ন্যাশনাল ম্যাথ অলিম্পিয়াড অনারেবল মেনশন হয়েছেন। আমেরিকার জ্যাকসন হাইটসে এই জাতীয় গণিত প্রতিযোগিতায় ফাতিহার হাতে বাংলাদেশি পতাকা দেখে যখন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল- এটা তো আন্তর্জাতিক কোনো ইভেন্ট নয়, তা সত্তà§