সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


ইতিহাসের মুসলিমরা যেমন আছেন!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

যুবায়ের বিন আখতারুজ্জামান।।

ইতিহাস৷ অতীতে ঘটে যাওয়া প্রত্যেকটা ঘটনাই একেকটা ইতিহাস৷ যারা জয়ী হয় ইতিহাসে তাদের কথাই লেখা থাকে৷ যারা পরাজিত তাদের পক্ষে সাধারণত ইতিহাস লেখা হয় না৷ আর পরাজিতদের পক্ষ থেকে লেখা ইতিহাসে থাকে প্রচুর বানোয়াট তথ্য৷ বিরোধী দলকে তারা দুনিয়ার সবচেয়ে নিকৃষ্ট জাতি হিসেবে উল্লেখ করে৷ কিন্তু এই ধরনের বানোয়াট ইতিহাসের মধ্যেও কিছু সত্য থাকে৷ বিজ্ঞান ও অগ্রগতির কথা তারা কখনো অস্বীকার করতে পারবে না৷ প্রতিপক্ষের যুদ্ধ কৌশল কেমন ছিল সেটাও বর্ণনা করতে বাধ্য৷

মুসলিমদের যুদ্ধের ইতিহাস:

মধ্যযুগের মুসলিমদের ইউরোপীয় ইতিহাসবিদগণ বর্বর বলে প্রজন্মের সাথে পরিচয় করান৷ কিন্তু মুসলিম ইতিহাসবিদগণ মধ্যযুগে মুসলিমদের স্বর্ণযুগ হিসেবে পরিচয় করান৷ কেন এমনটা হয়? পুরোপুরি সাংঘর্ষিক হয় কেমন? একই সময়তো কোনো জাতির স্বর্ণযুগ ও বর্বরতা হতে পারে না৷ এরূপ প্রশ্ন আমাদের মনে জাগে কিনা? হ্যাঁ, এরূপ প্রশ্ন আমাদের মনে জাগে৷ ইতিহাসের ছাত্র নয় বরং ইতিহাস প্রেমিদের কাছে এটা অনেক চিন্তার বিষয়৷ বিশেষ করে মুসলিম ইতিহাস প্রেমীদের তো বটেই৷ আচ্ছা, এখন চিন্তা করে বলুন তো মুসলিমদের বর্বর বলা হয় কোন কোন ক্ষেত্রে? মুসলিমদের বর্বর সব ক্ষেত্রেই বলা হয় না৷ যারা ইতিহাস নিয়ে ঘাটাঘাটি করেন তারা দেখবেন মুসলিমদের বর্বর বলা হয় শুধু মাত্র যুদ্ধ ক্ষেত্রে৷ সামাজিক, পারিবারিক ও বৈজ্ঞানিক জীবনের কোনো ক্ষেত্রেই মুসলিমদের বর্বর বলা হয় না৷

যুদ্ধক্ষেত্রে মুসলিমদের বর্বর বলার যথেষ্ট কারণও তাদের কাছে আছে৷ আর থাকাটাই স্বাভাবিক৷ কোনো জাতিকে তো যুক্তি ও প্রমাণ ছাড়াই দোষারোপ করা যায় না৷ চলুন বদরের যুদ্ধ থেকে শুরু করে কয়েকটা যুদ্ধের উদাহরণ দেই৷

১. বদরের যুদ্ধ: ইসলাম সবে মাত্র জন্ম গ্রহণ করছে৷ কিন্তু তার উপরই চেপে বসেছে কাফের সৈন্যরা৷ যুদ্ধ ছাড়া উপায় নেই নইলে চিরজীবনের জন্য ইসলাম ধর্ম বিলীন হয়ে যাবে৷ এমতাবস্থায় মহানবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাত্র ৩১৩ জন যোদ্ধা নিয়ে ১০০০ কাফের সৈন্যদের সাথে যুদ্ধ করে জয়ী লাভ করলেন৷ এটাকে অমুসলিম ইতিহাসবিদগণ বর্বরতা ছাড়া কি-ইবা বলতে পারে?! তারা তো আর আল্লাহর রহমতে বিশ্বাসী নয়৷

২. খালিদ বিন ওয়ালিদ রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহুর যুদ্ধ সমূহ: খালিদ বিন ওয়ালিদের যুদ্ধগুলোকে আলাদা আলাদা করে ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন মনে করছি না৷ উনার বীরত্বের দরুন রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার উপাধি দিয়েছ