রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশকেও করোনার ওষুধ উৎপাদনের অনুমতি দিয়েছে ফাইজার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বিশ্বের ৯৫টি দেশের ওষুধ কোম্পানিকে নিজেদের উদ্ভাবিত করোনার ওষুধ উৎপাদনের অনুমতি দিয়েছে ফাইজার। তার মধ্যে বাংলাদেশও আছে।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) জাতিসংঘ সমর্থিত গ্রপ মেডিসিনস প্যাটেন্ট পুলের (এমপিপি) সঙ্গে চুক্তি হয়েছে মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্ট ফাইজারের। এর ফলে বাংলাদেশ সহ ৯৫টি দেশ ফাইজারের তৈরি অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ প্যাক্সলোভিড উৎপাদনের লাইসেন্স পাচ্ছে।

এর আগে, জেনেভাভিত্তিক গ্রুপ এমপিপির সঙ্গে একই ধরনের চুক্তির আওতায় মার্কের তৈরি করোনার ওষুধ মলনুপিরাভির তৈরির লাইসেন্স পেয়েছিল বাংলাদেশসহ ১০৫টি দেশ।

আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ফাইজার জানিয়েছে, নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের পাশাপাশি সাব-সাহারান অঞ্চলের কিছু উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ এবং গত পাঁচ বছরের মধ্যে নিম্ন-মধ্যম আয় থেকে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি পেয়েছে এমন মোট ৯৫টি দেশ তাদের তৈরি করোনার ওষুধ উৎপাদনের অনুমতি পাবে।

চুক্তি অনুসারে, দরিদ্র দেশগুলোতে করোনার ওষুধ বিক্রি থেকে কোনো অর্থ নেবে না ফাইজার। এমনকি চুক্তির আওতায় থাকা অন্য দেশগুলোতে ওষুধ বিক্রির লভ্যাংশও ছেড়ে দিচ্ছে তারা।

ফাইজার-এমপিপির চুক্তি অনুসারে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে করোনার ওষুধ উৎপাদনের অনুমতি পেয়েছে বাংলাদেশ।

চলতি মাসের শুরুর দিকে করোনা রোগীদের জন্য মুখে খাওয়া ওষুধে সাফল্য পাওয়ার কথা জানায় ফাইজার। প্রাথমিক ট্রায়ালে তাদের ওষুধ ৮৯ শতাংশ কার্যকার প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি।

ট্রায়ালের ফলাফলে দেখা যায়, কোভিড-১৯ সারাতে ফাইজারের ওষুধ তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী মার্কের তৈরি মলনুপিরাভিরের চেয়েও বেশি কার্যকর। মার্কের ওষুধটি করোনায় আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তি বা রোগীদের মৃত্যুঝুঁকি অর্ধেকে নামাতে সক্ষম। সেই তুলনায় ফাইজারের প্যাক্সলোভিডের কার্যকারিতা প্রায় দ্বিগুণের কাছাকাছি।

চলতি বছরের শেষের দিকে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের অনুমোদন পেতে পারে ফাইজারের ওষুধটি। তারা আগামী ২৫ নভেম্বরের আগেই প্রাথমিক ট্রায়ালের ফলাফল মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) হাতে তুলে দেবে বলে জানিয়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ