বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ।। ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৯ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘আবাসন খাতে স্বচ্ছতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবে সরকার’  পোশাক শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর জঙ্গল সলিমপুরে ৬ সড়ক নির্মাণে যুক্ত হচ্ছে সেনাবাহিনী দল থেকে বহিষ্কৃত এমপি নজরুলের আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যা জানালো ইসি স্বাস্থ্য অধিদফতরের নতুন পরিচালক ডা. নুরুল ইসলাম বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের পূর্বধলা উপ-শাখা কমিটি পুনর্গঠন খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য নর্থের নির্বাহী বৈঠক ছবি-ভিডিও প্রচার করে নারীর সম্মানহানি, ইসলাম কী বলে কামরাঙ্গীরচরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মতবিনিময় সভা ভিডিওকাণ্ডে এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার

ই-অরেঞ্জের মালিক ও তার তিন স্ত্রীসহ ২০ একাউন্ট তলব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ই-অরেঞ্জের মূল কর্ণধার গুলশান থানার পরিদর্শক শেখ সোহেল রানা ও তার তিন স্ত্রীসহ ২০টি একাউন্টের তথ্য তলব করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটির আত্মসাৎ করা অর্থের সন্ধানের জন্য এসব তথ্য চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগ থেকে সম্প্রতি ব্যাংকগুলোতে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়।

ই-অরেঞ্জের কাছে গ্রাহক ও মার্চেন্টদের পাওনা প্রায় ১১০০ কোটি টাকা। অথচ প্রতিষ্ঠানটির ব্যাংক হিসাবে আছে মাত্র তিন কোটি ১২ লাখ ১৪ হাজার টাকা। আর পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে আছে ৩১ কোটি টাকা। বাকি অর্থ দেশের বাইরে পাচারসহ বিভিন্ন উপায়ে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

প্রতিষ্ঠানটির মূল কর্ণধার ও গুলশান থানার পরিদর্শক শেখ সোহেল রানা নেপালে পালানোর সময় গত ৪ সেপ্টেম্বর ভারতে আটক হন।

প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের একাধিক মামলায় ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও সোহেল রানার বোন সোনিয়া মেহজাবিন, বোনের স্বামী মাসুকুর রহমান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমানুল্লাহ চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। গত আগস্ট থেকে প্রতিষ্ঠানটির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে রেখেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা বিএফআইইউ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠিতে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত সব ধরনের তথ্য চাওয়া হয়েছে। তালিকায় রয়েছেন শেখ সোহেল রানা, তার তিন স্ত্রী নাজমা সুলতানা পিয়া, ফারজানা আফরিন প্রিয়াঙ্কা ও মোমেনা আক্তার মাসুমা। তার মা নাজমা বেগম, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও সোহেল রানার বোন সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান, ই-অরেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমানুল্লাহ চৌধুরী ও তার স্ত্রী ফারিয়া সুবা। প্রতিষ্ঠানটির সাবেক সিইও নাজমুল আলম রাসেল, আরেক সাবেক সিইও ব্যারিস্টার আহমেদ আল ফারাবি।

পরিচয় ছাড়া তালিকায় আছেন- উম্মে সায়রা, মোহাম্মদ জায়েদুল ফিরোজ, মো. রফিকুল ইসলাম, বিথি আক্তার ও বদিউজ্জামান। এ ছাড়া চার প্রতিষ্ঠান হলো ই-অরেঞ্জ ডটশপ, অরেঞ্জ বাংলাদেশ, সুবহা ফাউন্ডেশন ও চায়নিজ বাস্কেট।

গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা নিয়েও পণ্য সরবরাহ না করা বেশ কয়েকটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ওপর বিশেষ পরিদর্শন করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, আলেশা মার্ট, কিউকম, ধামাকা শপিং, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদিনের প্রদীপ, বুমবুম, আদিয়ান মার্ট ও নিডস ডট কম বিডিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর বিশেষ পরিদর্শন চলছে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ওই ১০ প্রতিষ্ঠানের কাছে গ্রাহকদের পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি পাওনা রয়েছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের একাউন্টে আছে মাত্র ১৩৬ কোটি টাকা। ফলে বাকি অর্থ কোথায় গেছে- তা উদ্ধারের চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ