শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিকে সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত, তাহাফফুজে দ্বীন পরিষদের দুই শীর্ষ নেতার নিন্দা কাছাকাছি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা, খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি আদ-দ্বীন থেকে রেফার রোগীদের চিকিৎসায় ৬ সরকারি হাসপাতালকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশ হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২৩ হাজি, ৫০ জনের মৃত্যু ফেনীর মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমীর ইন্তেকাল, জানাজা বিকাল ৩টায় হরমুজে জাহাজ লক্ষ্য করে ছোড়া ইরানের সব ড্রোন ভূপাতিতের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার মানে উন্নীত করার কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী ইসলামী যুব আন্দোলনের ঈদ পুনর্মিলনী ও থানা প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন দায়িত্বে মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ এমপি গুজরাটে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো শতাধিক মুসলিম বাড়ি

দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে কৃষি আইন বাতিল করল মোদি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দীর্ঘ দিন ধরে চলা আন্দোলনের পর এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে এ ঘোষণা দেন নরেন্দ্র মোদি।

নরেন্দ্র মোদি বলেন, আমি দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছি। আমি বলতে চাই যে, হয়তো আমাদের তপস্যাতেই কমতি ছিল। তাই কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এই মাসে শুরু থেকে চলা সংসদ অধিবেশনে এই কৃষি বিল প্রত্যাহার করব। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, আন্দোলন ছেড়ে একটি নয়া সূচনা করি। শিগগির আইন প্রত্যাহারের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া পূর্ণ করে দেব। এবার আপনারা সবাই ক্ষেতে ফিরে যান, পরিবারের মধ্যে ফিরে যান।

পাঞ্জাব নির্বাচনের আগে ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গে জোট গড়ার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ বড় হতে চলেছে বলে মত দিয়েছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

এর আগে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে তিনটি কৃষি বিলে সংশোধন করে আইনে পরিণত হওয়ার পর থেকেই দিল্লি, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্তানে তুমুল প্রতিবাদ-বিক্ষোভ শুরু হয়। বিশেষত পাঞ্জাবে সেই বিক্ষোভের আগুন তীব্র হতে থাকে। রাস্তা অবরোধ, রেল রোকো-আন্দোলনের মাধ্যমে কৃষি আইনের বিরুদ্ধে নিজেদের প্রতিবাদ জানায় কৃষক সংগঠনগুলো।

কৃষকদের অভিযোগ ছিল, নতুন আইনের ফলে লোকসানের মুখে পড়বেন কৃষকেরা। ফসল নিয়ে তাদের দরাদরির ক্ষমতা কমে যাবে, প্রচলিত ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) পাওয়া থেকেও বঞ্চিত হবেন তারা। পাশাপাশি বেসরকারি এবং বড় সংস্থাগুলোর কাছে কৃষিপণ্য মজুত রাখার রাস্তাও খুলে যাবে।

যদিও মোদি সরকারের পাল্টা দাবি ছিল, নতুন কৃষি আইনে কোনোভাবে কৃষকেরা বঞ্চনার শিকার হবেন না। এমএসপি ব্যবস্থাও থাকবে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস ও এনডিটিভি।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ