আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলেছে যা সমগ্র বিশ্বে আজ এক উন্নয়নের বিস্ময়। করোনা মহামারীর মধ্যে দক্ষীণ এশিয়ায় বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বুধবার জাতীয় সংসদে বিশেষ আলোচনার জন্য সাধারণ প্রস্তাব উপস্থাপনকালে তিনি এ কথা বলেন।
আজ বুধবার বিকালে শেখ হাসিনার এ প্রস্তাবের পর সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ বিধিতে আনা এ প্রস্তাবের ওপর স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বিশেষ আলোচনা শুরু হয়েছে। আলোচনায় সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা অংশ নেবেন।
বুধবার সংসদের বৈঠকের শুরুতে স্মারক বক্তৃতা দেন রাষ্ট্রপতি। এরপর অধিবেশন কিছু সময়ের জন্য মুলতবি করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। পরে সংসদের বৈঠক শুরু হলে প্রস্তাব তোলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রস্তাবে বলা হয়, ২০০৮ সালের ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ বাস্তবতা। দারিদ্র্য হ্রাস, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, সারাদেশে শতভাগ বিদ্যুতায়ন, গৃহহীন ৯ লক্ষ মানুষকে ঘর তৈরি করে দেওয়া, সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম, নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি, মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু রোধসহ মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা অর্জিত হয়েছে।
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, রেমিট্যান্স, রিজার্ভ প্রতিটি সূচকে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ৪১তম। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলার লক্ষ্যে ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের এ ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণে তারুণ্যদীপ্ত বাংলাদেশ সব চ্যালেঞ্জে উত্তরণ ঘটিয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত, শোষণ ও বৈষম্যহীন, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলারূপে বিশ্বসভায় মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হোক এই হোক আমাদের প্রত্যয়।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে গত বছরের নভেম্বরে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশেষ অধিবেশনে বসে জাতীয় সংসদ। ওই অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও করà§