নুরুদ্দীন তাসলিম।।
ওমিক্রণ, করোনার ঊর্ধ্বগতি ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পূর্ব ঘোষিত সম্ভাব্য তারিখে ( ২৮,২৯,৩০ জানুয়ারি) হচ্ছে না শুরায়ী নেজামের এবারের বিশ্ব ইজতেমা। তবে তাবলিগী সাথীদের অনেকেই পূর্ব ঘোষিত সম্ভাব্য তারিখে টঙ্গী মাঠ ও কাকরাইল মসজিদে উপস্থিত হয়ে চিল্লার জন্য বের হচ্ছেন।
টঙ্গী ময়দান সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানতে পেরেছে আওয়ার ইসলাম।
২০২০ সালে সর্বশেষ টঙ্গীর তুরাগ তীরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম গণজমায়েত বিশ্ব ইজতেমা। এরপরের বছর ২০২১ সালের বিশ্ব ইজতেমা বাতিল হয়েছিল করোনা ভাইরাসের কারণে।
তবে গত বছরের (২০২১) ১৩ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জে তিন চিল্লার সাথীদের জোড় শেষে ঘোষণা করা হয়, সারাদেশে যারা তাবলীগের চিল্লায় আছেন তারা যেন চিল্লা শেষে পূর্ব ঘোষিত সম্ভাব্য তারিখে ( ২৮,২৯,৩০ জানুয়ারি) ইজতেমা ময়দানে উপস্থিত হন।
পূর্বঘোষিত তারিখ অনুযায়ী আজ ( ২৮ জানুয়ারি) ইজতেমা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সার্বিক পরিস্থিতি মিলিয়ে ইজতেমা হচ্ছে না। তবে সাথীদের অনেকেই মাঠে উপস্থিত হয়েছেন, সেখান থেকে হেদায়েতি বয়ান শুনে চিল্লার জন্য বের হচ্ছেন তারা। আজ ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি জামাত বের হয়েছে। রাত অবধি চিল্লার জন্য জামাত বের হবে বলে জানা গেছে।
জামাত বের হওয়ার আগে কাকরাইলের মুরুব্বি মাওলানা রবিউল হক সাথীদের উদ্দেশ্যে হেদায়েতি বয়ান করছেন। আগামী দুইদিনও টঙ্গী ময়দান ও কাকরাইল মসজিদ থেকে চিল্লার জামাতের জন্য সাথীরা বের হবেন।
আরো পড়ুন: এবারের বিশ্ব ইজতেমা কবে হচ্ছে?
এবার বিশ্ব ইজতেমা না হলেও পূর্ব ঘোষিত সম্ভাব্য তারিখে চিল্লার জামাতের জন্য বের হতে বৃহস্পতি ও শুক্রবার সকাল থেকে টঙ্গী ময়দান ও কাকরাইল মসজিদে আসতে শুরু করেছেন সাথীরা।
সাথীদের উদ্দেশ্যে হেদায়েতি বয়ানে বলা হয়েছে, বিশ্ব ইজতেমার মূল উদ্দেশ্য বিশ্বব্যাপী মানুষের মাঝে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া এবং এর মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে বেশি বেশি চিল্লার জামাত বের হওয়া। যেহেতু স্বাস্থ্যবিধির কারণে এবার ইজতেমা হচ্ছে না, তাই মানুষকে আল্লাহর রাস্à¦