সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


সরকারি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা: কী ভাবছেন কওমি মাদরাসার নীতি-নির্ধারকরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

।।কাউসার লাবীব।।
বার্তা সম্পাদক

কওমি মাদরাসা। কয়েকশ বছর ধরে নিজেদের স্বকীয়তা বজায় রেখে চলে আসছে এর শিক্ষাব্যবস্থা। উপমহাদেশের প্রাচীন বিদ্যাপীঠ ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের চিন্তা-চেতনা ও কারিকুলামকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানগুলো স্বকীয়তার প্রশ্নে বরাবরের মতোই অনড়।

এসব বিষয় মাথায় রেখে বাংলাদেশ সরকার কওমি মাদরাসার স্বকীয়তা অক্ষুণ্ন রেখেই ২০১৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বরে দাওরায়ে হাদিসকে স্নাতকোত্তর সমমানের স্বীকৃতি প্রদান করে। এই আইন সমগ্র বাংলাদেশে দারুল উলুম দেওবন্দের নীতি, আদর্শ ও নিসাব (পাঠ্যসূচি) অনুসরণে পরিচালিত কওমি মাদরাসাগুলোর দাওরায়ে হাদিসের (তাকমিল) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে জানানো হয়।

কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ স্তরকে স্বীকৃতি দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ বা নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, ‘আল-হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’-এর কমিটি তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে সময়-সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবে।

এদিকে জানা গেছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পর্যবেক্ষণ নিয়ে শিক্ষা আইনে একটি খসড়া পুনর্গঠন করা হচ্ছে, যাতে কওমি মাদরাসা থাকছে গুরুত্বের সঙ্গে। বলা হচ্ছে, ‘এই আইন সম্পন্ন হলে কওমি শিক্ষাব্যবস্থা পুরোপুরি রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকবে’।
সম্প্রতি এ বিষয়টি নজরে এলে নড়েচড়ে বসেন দেশের কওমি মাদরাসাগুলোর সর্বোচ্চ অথরিটি আল-হাইয়াতুল উলিয়া লিল জামিয়াতিল কাওমিয়ার নীতি নির্ধারকরা। তারা বলছেন, স্বকীয়তার প্রশ্নে তারা সবসময়ই অনড়।

হাইয়াতুল উলিয়ায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে যে ছয় বোর্ড সরকারি স্বীকৃতি নিয়েছে, তার অন্যতম একটি ‘বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ’। বোর্ডটির বর্তমান মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক আওয়ার ইসলামকে বলেন, অল্প কিছুদিন আগেই সংসদে আইন হয়ে আমাদের কওমি মাদরাসার স্বীকৃতি পাস হয়েছে। পাস হওয়া আইনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, ‘দারুল উলুম দেওবন্দের মূলনীতির ওপর ভিত্তি করেই আমাদের স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে’। তাছাড়া বাংলাদেশে দারুল উলুম দেওবন্দের নীতি, আদর্শ ও নিসাব (পাঠ্যসূচি) অনুসরণে পরিচালিত মাদরাসগুলোকেই কওমি মাদরাসা বলে উল্লেখ à¦