সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


নবজাতকের যত্নে যেসব বিষয় সচেতন হওয়া আবশ্যক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: শীতে শিশুদের ঠাণ্ডা লাগার প্রবণতা বেশি থাকে। নবজাতক হলে তো কথাই নেই। তার জন্য চাই সর্বোচ্চ সতর্কতা। ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় থেকেই এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া চাই। শীতকালের চিরাচরিত উলের পোশাক শিশুর কোমল শরীরে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই নবজাতকের শীতের পোশাক হতে হবে তার মতোই কোমল।

শূন্য থেকেই সতর্কতা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক এবং নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ মো. আবদুল মান্নান জানান, শীতকালে নবজাতকের দেহের তাপমাত্রা ধরে রাখার প্রতি মনোযোগী হতে হবে সে ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগেই। তার পরামর্শ হলো, স্বাভাবিকভাবে যদি ঘরে পূর্ণ গর্ভাবস্থায় শিশুর (পূর্ণ ৩৭ সপ্তাহ) জন্ম হয় তাহলে কক্ষের তাপমাত্রা ২৬ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড হতে হবে। জন্মের পর নবজাতক যে কক্ষে থাকবে তখনো এটি প্রযোজ্য।

রুম হিটার জ্বালিয়ে, দরজা-জানালা বন্ধ রেখে এ তাপমাত্রা নিশ্চিত করতে পারেন। অনেকে ঘরের কোণে কয়লা ও তুষের আগুন রাখেন। সেক্ষেত্রে অগ্নিকাণ্ডের ব্যাপারে অবশ্যই সতর্ক থাকুন। ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরপরই নবজাতকের শরীর সুতির পুরনো পরিষ্কার ও নরম কাপড়ে মুছে ফেলুন। শরীরে গর্ভজাত তরল লেগে থাকলে খুব দ্রুত দেহের তাপ বের হয়ে যায়, যাকে ইভাপোরেটিভ হিট লস বলে।

নবজাতককে আলাদা বিছানা বা ঠাণ্ডা কোনো স্থানে রাখার বদলে মায়ের পেটের কাছে বা বুকের ওপর রাখুন। খেয়াল রাখবেন, নবজাতকের ত্বকের সঙ্গে মায়ের ত্বক লেগে থাকবে। তারপর নবজাতককে উষ্ণ কাপড়ে ঢেকে যত দ্রুত সম্ভব শালদুধ খেতে দিন। এতে থাকা গ্লুকোজ, প্রোটিন, চর্বি শিশুর শরীর উষ্ণ করে। দুধ খেতে হালকা ব্যায়াম হয় বলে শরীর নিজ থেকেই উত্তাপ তৈরি করা শুরু করে।

কী করবেন না
বিশেষজ্ঞ মো. আবদুল মান্নান বলেন, শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরপরই প্রচলিত কিছু আচরণের কারণে শীতে নবজাতকের অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরপরই শিশুকে গোসল করিয়ে ফেলা আমাদের দেশের চিরাচরিত দৃশ্য। কারণ নবজাতকের দেহে জন্মের পরপরই একপ্রকার সাদা আবরণ দেখা যায়।

অনেকেই এটি নোংরা ভেবে মুছে দেন বা গোসল করিয়ে ধুয়ে দেন। কেউ লিকুইড প্যারাফিনেও মুছে ফেলেন। কিন্তু এটি মূলত নবজাতকের সুরক্ষা কবচ। এটি নবজাতকের দেহের তাপমাত্রা ধরে রাখে, যেকোনো জীবাণু সংক্রমণ প্রতিরোধ করে এবং ত্বককে সুরক্ষা দেয়। প্রায় সবাই এক দিনের মধ্যেই মাথার চুল কামিয়ে দেন।

কিন্তু কখনো কখনো এর ফলে নবজাতকের নিউমোনিয়া পরà