সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


শিক্ষার্থীরা আখেরাতমুখী ভাবনা থেকে সরে আসায় সমস্যাগুলো তৈরি হচ্ছে: মাওলানা নাসীম আরাফাত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নুরুদ্দীন তাসলিম।।

কওমি মাদরাসাগুলোতে মূলত পাঠ্যবই বা ইবারত পড়ার প্রতি জোর দেওয়া হয়। মূল মতনকে সামনে রেখে সৃজনশীল প্রশ্নপত্রের প্রচলন আছে। মূল্য যোগ্যতার বাইরে এই সিলেবাসে পড়াশোনা করা কঠিন। সাম্প্রতিক ছাত্র-ছাত্রীরা কিতাবের মূল মতন থেকে কিছুটা দূরে সরে যাচ্ছে। নোট-গাইড নির্ভর হয়ে পড়ছে। তাদের এই নোট নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে কী করণীয় এ বিষয়ে আওয়ার ইসলামের সঙ্গে কথা বলেছেন রাজধানীর জামিয়া শারইয়্যাহ মালিবাগের সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা নাসীম আরাফাত।

তিনি বলেছেন, আগের দিনে আমাদের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য থাকত ইসলামকে বোঝা, কিতাব  ও ফেকহা বোঝা, কিতাব অনুযায়ী আমল করা, মোটকথা দুনিয়াবী কোন চাওয়া-পাওয়া তাদের মাঝে ছিল না। উস্তাদরা যেভাবে বলতেন তারা সেভাবেই চলত।

‘কিন্তু বর্তমানে শিক্ষার্থীদের মানসিকতায় অনেক পরিবর্তন এসেছে। রেজাল্ট ভালো করা এখন তারা নিজেদের উদ্দেশ্য বানিয়ে নিয়েছে। বিভিন্ন মাদরাসায় এখন শিক্ষার্থীদের রেজাল্ট কেন্দ্রিক পড়াশোনা করানো হয়। বোর্ড পরীক্ষায় রেজাল্ট ভালো করার গ্যারান্টি সম্বলিত  ব্যানারও দেখা যায় অনেক জায়গায়। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা ভালো রেজাল্ট করার জন্য যে কোনো ধরনের পন্থা অবলম্বন করলে শিক্ষকরা বিষয়টিকে স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নেন’ বলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, সব মিলিয়ে  শিক্ষার্থীদের ভিতরে অনেকটা এমন মনোভাব তৈরি হয়ে গেছে যে পরীক্ষায় রেজাল্ট ভালো করাটাই মূল উদ্দেশ্য। এতে শুধু শিক্ষার্থীদের দোষারোপ করা ঠিক হবে না, অনেক মাদ্রাসাতে শিক্ষকরাও ছাত্রদের বোর্ডের পুরাতন প্রশ্নগুলো দিয়ে অনুশীলন করে থাকেন। পরীক্ষার আগের রাতেও শিক্ষার্থীরা গাইড নিয়ে পড়ে থাক ‘।

তিনি বলেন, ‘এমনও দেখা যায় অনেক শিক্ষার্থী পরীক্ষার হলে দাঁড়িয়ে প্রশ্নে কি বলা হয়েছে তা জানতে চায়। এরপর সে বাংলায় উত্তর লিখে দিচ্ছে। অবস্থা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ছাত্রদের আমরা যতই বোঝানোর চেষ্টা করছি, তারা আমাদের কথা কানে তুলছে না’।

এ থেকে উত্তরণে বেফাক বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় সামনে এগোচ্ছে। কিন্তু এত চেষ্à¦