নুরুদ্দীন তাসলিম।।
খতম তারাবি রমজানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কুরআন বিশুদ্ধভাবে তেলাওয়াত করতে পারেন না এমন মানুষও এর মাধ্যমে কুরআন শ্রবণ ও তেলাওয়াতের সওয়াব লাভ করেন। দেশের বেশির ভাগ মসজিদেই খতম তারাবি শেষ হয়ে যায় ২৭ রমজান। তবে পরিস্থিতি ও এলাকাভেদে কোথাও এর ব্যতিক্রমও হয়ে থাকে। এতে করে বিভিন্ন কাজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়া মানুষের কুরআন শ্রবণের ধারাবাহিকতা নষ্ট হয়। অনেকে কিছু অস্বস্তিতে ভোগেন।
তবে দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতিতে তারাবি নামাজ আদায় করা হলে এই সমস্যার আর সম্ভবনা থাকে না। এ বিষয়টির প্রতি খেয়াল রেখে দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতিতে তারাবির নামাজ আদায় করতে আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
আরো পড়ুন: তারাবির ইন্টারভিউ’র নামে হাফেজদের অভিযোগ-অনুযোগ
ফাউন্ডেশনের সহকারী জনসংযােগ কর্মকর্তা শায়লা শারমীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পবিত্র রমজান মাসে দেশের প্রায় সকল মসজিদে খতম তারাবীহ্ নামাজে পবিত্র কুরআনের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াত করার রেওয়াজ চালু আছে। তবে কোন কোন মসজিদে এর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এতে করে কর্ম উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকারী মুসল্লিদের মধ্যে কুরআন খতমের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না।
এই অবস্থায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে একটি অতৃপ্তি ও মানসিক চাপ অনুভূত হয়। কুরআন খতমের পূর্ণ সওয়াব থেকেও তারা বঞ্চিত হন। এ পরিস্থিতি নিরসনকল্পে রমজানের প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে ১ পারা করে ২১ পারা তিলাওয়াত করলে ২৭ রমজান রাতে অর্থাৎ পবিত্র শবে কদরে পবিত্র কুরআন খতম করা সম্ভব।
আরো পড়ুন: ‘মসজিদ কমিটি সহযোগী হলে তারাবির ইন্টারভিউ নিয়ে হাফেজদের অভিযোগ থাকবে না’
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এই বিজ্ঞপ্তি ও আহ্বানকে সুন্দর উদ্যোগ বলে স্বাগত জানিয়েছেন তাহফিজুল কুরআন ওয়াসসুন্নাহ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা হাফেজ, কারি নাজমুল হাসান ও মারকাজুত তাহফিজ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়েখ নেছার আহমাদ আন নাছিরী।<