রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের সওগাত নিয়ে পবিত্র মাহে রমজান মুমিনের দ্বারপ্রান্তে। মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মুমিনের জন্য শ্রেষ্ঠ উপহার এ মাস। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনায় একজন মুমিন তাকওয়ার গুনে গুনাণ্বিত হতে পারে। হতে পারে রাসুল সা. এর শ্রেষ্ঠ একজন উম্মত। লাভ করতে পারে ইহকালীন ও পরকালীন প্রভূত কল্যাণ। আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বাতলানো পন্থা ও সাহাবায়ে কেরামের নমুনায় রমজান পালনেই তা সম্ভব।
আওয়ার ইসলাম পাঠকের জন্য মাহে রমজান জুড়ে “মাসায়েলে রমজান” শিরোনামে প্রতিদিন গুরুত্বপূর্ণ কিছু মাসায়েল পাঠকের সমীপে উপস্থাপন করা হবে। নিয়মিত মাসায়েল লিখবেন, শেখ জনূরুদ্দীন র. দারুল কুরআন মাদরাসা চৌধুরীপাড়ার ইফতা বিভাগের মুশরিফ, মুফতি সাদেকুর রহমান।।
ফোকাহায়ে কেরাম একমত পোষণ করেন, পাঁচটি বস্তু একসাথে পাওয়া গেলেই রোজা ভঙ্গ হবে। ১. মানবদেহের অভন্তরে রোজা ভঙ্গকারী গ্রহণযোগ্য বস্তু প্রবেশ করা ২.রোজা ভঙ্গকারি বস্তু মানবদেহের ভেতরের গ্রহনযোগ্য খালিস্হানে প্রবেশ করা।৩.রোজা ভঙ্গকারি বস্তু গ্রহনযোগ্য রাস্তা বা ছিদ্র দিয়ে প্রবেশ করা। ৪.রোজা ভঙ্গকারি বস্তু গ্রহনযোগ্য পদ্ধতিতে দেহের ভেতরে প্রবেশ করা। ৫.রোজা ভঙ্গের পরিপন্থী বস্তু না থাকা।
প্রত্যেকটির বিস্তারিত আলোচনা। ১.মানব দেহের অভ্যন্তরে রোজা ভঙ্গকারি গ্রহনযোগ্য বস্তু প্রবেশ করা অর্থাৎ দেহবিশিষ্ট বস্তু যেমন কোনো খাদ্য বা পানীয় ইত্যাদি প্রবেশ করা। সুতরাং বাতাস, ঠান্ডা,গরম ইত্যাদি প্রবেশ করলে রোজা ভঙ্গ হবেনা।
২. রোজা ভঙ্গকারি বস্তু মানবদেহের ভিতরের গ্রহণযোগ্য খালি স্থানে প্রবেশ করা।
বর্তমান যুগের ডাক্তারদের গবেষণার আলোকে সমকালীন মুফতিয়ানে কেরামের মতামত অনুযায়ী গ্রহনযোগ্য খালিস্থান তিনটি ১. খাদ্যনালী ২. পাকস্থলী ৩.নাড়িভুড়ী।সুতরাং নারী -পুরুষের মূত্রথলি, নারীর বাচ্চাদানি, দেমাগ,তথা মাথার অভ্যন্তরের খালি স্হান ও কর্ণকুহরের গহবরের খালিস্থান ইত্যাদিতে রোজা ভঙ্গকারি বস্তু প্রবেশ করলে রোজা ভঙ্গ হবেনা।
৩. রোজা ভঙ্গকারি বস্তু দেহের ভেতরে গ্রহণযোগ্য রাস্তা বা ছিদ্র দিয়ে প্রবেশ করা।
সকল ফুকাহায়ে কেরাম একমত, গ্রহণযোগ্য রাস্তা বা ছিদ ৩টি ১.মুখ ২.নাক.৩.মলদ্বার।তবে ক্ষেত্রবিশেষ এর সাথে আরো একটি যোগ হবে, আর তা হলো "পেটের ক্ষত' যদি তা পাকস্থলী কিংবা নাড়িভুঁড়ি পর্যন্ত পৌঁছে। বর্তমান যুগের ডাক্তারদের গবেষণার আলোকে সমকালীন মুফতিয়ানে কেরামের মতে কা