সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


তাখাসসুসের মানোন্নয়ন: আদব বিভাগগুলো কতটা ‘শিক্ষামান’ ধরে রাখতে পারছে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

।।আদিয়াত হাসান।।

দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও আদর্শ মানুষ গঠনের ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা রাখছে দেওবন্দি চেতনায় গড়ে ওঠা কওমি মাদরাসাগুলো। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সিলেবাসে একজন ছাত্র দাওরায়ে হাদিস কমপ্লিট করার পর নিতে হয় বড় একটি সিদ্ধান্ত। কেউ বেছে নেয় খেদমত বা ব্যবসা-বানিজ্যসহ নানা পথ। মেধা ও ফুরসত কুলালে কেউ নিজেকে আরো দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য ভর্তি হয় উচ্চতর শিক্ষার সৌরভময় উদ্যান তাখাসসুস বিভাগে; যে বিভাগগুলো জাতিকে উপহার দেয় একেকজন গবেষক ও চিন্তক আলেম।

তবে সরেজমিনে দেখা যায় বিভিন্ন কারণে ক্রমেই এ তাখাসসুস বিভাগগুলো আস্থা হারাতে বসেছে। বিশেষ করে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা ইফতা ও আদব বিভাগগুলো চিন্তায় ফেলে দিচ্ছে দেশের চিন্তক শিক্ষাবিদদের। ধীরে ধীরে প্রকট হওয়া এ সঙ্কট কেন তৈরি হলো? এর সমাধানই বা কী? দেশের কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডগুলো এ ক্ষেত্রে কী ভূমিকা রাখতে পারে? এসব বিষয়ে কথা বলেছিলাম মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল করা ইসলামিক স্কলার, রাজধানীর মারকাযুল লুগাতিল আরাবিয়্যা বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও আরবি ভাষাবিদ শায়খ মুহিউদ্দীন ফারুকীর সঙ্গে।

‘এ সঙ্কট থেকে বেরিয়ে আসতে হলে প্রথমেই যেসব প্রতিষ্ঠানে তাখাসসুস বিভাগ রয়েছে তাদেরকে উদ্যোগী হতে হবে। সচেতন হতে হবে। তাখাসসুসের হাকীকত বুঝতে হবে। তাদের চিন্তার মানোন্নয়ন করতে হবে’ বলে মনে করেন এ শিক্ষাবিদ।

তার মতে, প্রথমে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, ‘পাশের মাদ্রাসায় একটি তাখাসসুস বিভাগ আছে সেজন্যই কি আমার মাদ্রাসায় এ বিভাগ খোলা? মাদ্রাসায় একটি তাখাসসুস বিভাগ থাকলে মাদ্রাসার ভাবমূর্তি ভালো থাকবে সেজন্য খোলা? নাকি বাস্তবিকভাবেই তাখাসসুস নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা ও সাধ্য থেকে খোলা!’ এই বিষয়টি স্পষ্ট হলে সব কিছু সহজ হয়ে যাবে।

এ সঙ্কটটির গভীরের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমাদের বড় একটি সমস্যা হলো, আমরা প্রত্যেকেই নিজেকে মনে করি নতুন একটি মানহাজের প্রণয়নকারী, শিক্ষাসংস্কারের একজন প্রবক্তা। এটি আমাদের কওমি মাদরাসা অঙ্গনকে কলুষিত করে তুলছে। তাই তাখাসসুসকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অবশ্যই বোর্ড বা কর্তৃপক্ষ থাকা উচিত। তবে দুঃখের বিষয় হলো এ পর্যন্ত আমাদের দেশে কেউ এই উদ্যোগটি গ্রহণ কà¦