সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


ইসলাম ও বিজ্ঞানের আলোকে শান্তির পথ!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা আবদুল মাজীদ মামুন রাহমানী।।

প্রতিটি মানুষ শান্তি চায়। দেখতে চায় নিজেকে একজন সফল মানুষ হিসেবে। আধুনিক এ-বিশ্বে মানুষ যা কিছু করছে, সবই শান্তি লাভের জন্য। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়ন ও বিজ্ঞানের উৎকর্ষতা সাধন ইত্যাদি সবই করা হচ্ছে মানুষের পরিতৃপ্ত ও শান্তিপূর্ণ জীবন লাভের জন্য।

পৃথিবীর এত আয়োজন, ধরণীর এত সাজসজ্জা আর ভুবনের এই জাকজমকতা সত্বেও প্রহর ব্যাপী অক্লান্ত পরিশ্রম করে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে দেখা যায়; বুকের মাঝে লোকায়িত একটি বোবাকান্না, না পাওয়া আর হেরে যাওয়ার এক দীর্ঘ নিঃশ্বাস। তাই মনের মধ্যে প্রশ্ন উদিত হয় শান্তি আসলে কোন পথে?

যুগ যুগ ধরে এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন শাস্ত্র পন্ডিত, দার্শনিক ও বিশেষজ্ঞরা বা দার্শনিকরা বলছে শান্তি এ পথে তো Intellectuals বা বুদ্ধিজীবীরা বলছে, না শান্তি ঐ পথে। আবার Sociologist বা সমাজবিজ্ঞানীরা বলছে শান্তির পথ এটি তো Psychologists বা মনোবিজ্ঞানীরা বলছে না শান্তির পথ ঐটি।

যাইহোক আধুনিকতার এই যুগে অধিকাংশ মানুষই যেহেতু বিজ্ঞান ভক্ত, তাই Psychologists বা মনোবিজ্ঞানীরা শান্তি লাভের জন্য কি কি টিপস দেয় তা বিশেষ বিবেচ্য বিষয়।

তারা দীর্ঘ গবেষণার পর সাতটি টিপস বের করেছে। যেগুলোর ব্যাপারে ইসলাম আরো সাড়ে চোদ্দশত বৎসর পূর্বে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে।যে টিপস গুলো ফলো করলে মানুষ শান্তির মুখ দেখবে ইনশাআল্লাহ।

নিজের যা আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকা অন্যের সম্পদ বা সুন্দরী স্ত্রীর দিকে না তাকানো। কুরআনে কারীমে আল্লাহ তাআলা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে লক্ষ্য করে বলেছেন "আমি তাদের (কাফেরদের) বিভিন্ন শ্রেণীকে ভোগ- বিলাসের যে উপকরণ দিয়েছি, আপনি তার প্রতি কখনো স্বীয় চক্ষুদ্বয় প্রসারিত করবেন না। সূরা আল হিজর, আঃ নং-৮৮

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন ধনের আধিক্য হলেই ধনী হয় না। অন্তরের ধনীই প্রকৃত ধনী। বুখারী,হাঃ নং ৬৪৪৬; মুসলিম,হাঃ নং- ২৩১০; মুসনাদে আহমদ হাঃ নং-৭২৭৪; ইবনে মাজাহ হাঃ নং-৪১৩৭।

২.কথা কম বলা ও চুপ থাকার চেষ্টা করা। কুরআনে পাকে এরশাদ হচ্ছে মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করে তার জন্য একজন প্রহরী নিযুক্ত রয়েছে, যে লেখার জন্য সদা প্রস্তুত। সূরা ক্বাফ, আঃ নং- ১৮। হাদীস শরীফে বলা হয়েছে যে চুপ থাকলো সে মুক্তি পেল। তিরম