সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই’ সময়ের দাবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

এনায়েতুল্লাহ ফাহাদ: বুদ্ধিবৃত্তি অতি শ্রেয় কর্ম। মহান রবের শ্রেষ্ঠ নেয়ামত। বুদ্ধিতেই মানুষ সম্মানিত-অপমানিত। মানুষ সৃষ্টির সেরা এ বিশেষ গুণের কারণেই। তাই বুদ্ধির প্রয়োগকে ইসলাম শুধু সিদ্ধই বলেনি বরং এর প্রতি মূল্যায়নও করেছে যথার্থ। বুদ্ধি দিয়েই জয় করা যায় বিশ্ব। বুদ্ধিতেই মানুষের সর্বোচ্চ পরিচয়। হাদীছে বর্ণিত ইসলাম শিক্ষাকে যেমন প্রতিটি নর-নারীর ওপর ফরজ করেছেন; তেমনি ফরজ করেছেন বুদ্ধিচর্চাকেও। একমাত্র বুদ্ধিবৃত্তিই মানুষকে ব্যক্তিস্বার্থের উর্দ্ধে উঠে সমাজ, রাষ্ট্র ও সমগ্র বিশ্বকে নিয়ে ভাবতে উৎসাহিত করে।শান্তিপূর্ণ উপায়ে এবং বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার মাধ্যমে জনগণকে সুষ্ঠু ও আদর্শ সমাজ ব্যবস্থার সন্ধান দিতে পারে। তাই তো বুদ্ধিজীবীদের বলা হয় "জাতির মূল চালিকাশক্তি"।

আজ বিশ্ব মুসলমানদের দুর্দিন।চারিদিকে অসভ্য অপসংস্কৃতির সয়লাব। সভ্য সমাজে অপশক্তির প্রভাব বিস্তার। মুসলমানরা অপসাংস্কৃতির ভয়াল থাবায় ভয়ার্ত। সমগ্র বিশ্ব সম্মিলিতভাবে মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছে। মুসলমানদের আস্তানাগুলোতে পশ্চিমা রাম জেঁকে বসেছে। এসব কিছুর মুখ্য উদ্দেশ্য হলো—ইসলামকে নিশ্চিহ্ন করা। মুসলমানদেরকে নিঃশেষ করা। এই ভূমিকে খোদার বিধান থেকে মুক্ত করা।কেবলমাত্র এই জমিনে বসবাস করবে পশ্চিমা অনুসারীদের কতগুলো অমানুষ।এই হিংস্র চেতনাকে লালন করেই তারা পুষে রেখেছে অহমিকা। চালিয়ে যাচ্ছে যুদ্ধ-বিগ্রহ। তাদের এই যুদ্ধে যেভাবে সামরিক ক্ষেত্রে সংগঠিত হচ্ছে, তদ্রুপ হচ্ছে বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষেত্রেও। মুসলমানদেরকে সামরিক যুদ্ধের পাশাপাশি চিন্তা লড়াই তথা বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে প্রতিপক্ষের সম্মুখিন হতে হচ্ছে। তবে একথা অনস্বীকার্য — এখন বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে মুসলমানদের থেকে একধাপ এগিয়ে অমুসলিমরা। মুসলমানদের বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ের ক্ষেত্রে মনস্তাত্ত্বিক আধিপত্য বিস্তারের মধ্য দিয়ে তারা ক্রমশ সম্মুখে অগ্রসর হয়ে চলছে....!

তবে হ্যাঁ— আমাদের ও তাদের মাঝে বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই এর লক্ষ্য উদ্দেশ্য অনেকটা ভিন্ন। আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই হল—আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও দৃঢ় বিশ্বাস রেখে ইসলামের দাওয়াতের। এলায়ে কালিমাতিল্লাহর। আল্লাহর সন্তুষ্টির । বিশ্বব্যাপী কোরআন ও হাদিসের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার এবং মানুষকে মানুষের গোলামী থেকে মুক্ত করে আল্লাহর গোলামীর দিকে নিয়ে ন্যস্ত করা । সব ধর্মের জুলুম থেকে ইসলামের ছায়াতলে নিয়ে আসার এবং দুনিয়ার সংকীর্ণতা থেকে বের করে আখেরাতের প্রশস্ততার দিকে অভিমুখী করার । অপরদিকে তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ের মূল মাকসাদ কেবল— নিজেদের স্বার্থ à