সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


দেশে প্রতি বছর আরওপিজনিত অন্ধত্বের শিকার ৩২ হাজার ৩০০ শিশু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: দেশে প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে বাড়ছে শিশুদের চোখের মারাত্মক ব্যাধি রেটিনোপ্যাথি অব প্রিম্যাচিউরিটি বা আরওপি। সময়মতো এ রোগের চিকিৎসা না হলে শিশু চিরতরে অন্ধ হয়ে যেতে পারে। নির্দিষ্ট সময়ের আগে এবং কম ওজন নিয়ে জন্মালে ঐ শিশুর ‘আরওপি’ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। আরওপিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই বলে জানান রেটিনা বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন, আগের তুলনায় এ রোগের প্রকোপ ২৩ থেকে ৫৩ শতাংশ বেড়েছে। তবে দেশের সব জায়গায় রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকায় জরিপ সঠিক হচ্ছে না।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৪ লাখ শিশু অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেয়। এ সংখ্যা জন্ম নেওয়া শিশুর মোট সংখ্যার সাড়ে ১২ শতাংশের বেশি। আর এক জরিপে দেখা যায়, ৩৪ সপ্তাহের আগে জন্ম নেওয়া বা ১ কেজি ৮০০ গ্রামের কম ওজনের যেসব নবজাতক ২০১৩ সালের জুলাই থেকে ২০১৪ সালের জুলাই পর্যন্ত ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল, তার ৩৫ শতাংশই আরওপিতে আক্রান্ত। বাংলাদেশে আরওপিজনিত শিশু অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও চিকিৎসাসেবার সুযোগ সৃষ্টি ও জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশে ২০১২ সাল থেকে ঢাকাকেন্দ্রিক চক্ষু হাসপাতাল ও নবজাতক সেবাদানকারী হাসপাতালগুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

জাতিসংঘের তথ্য মতে, বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে ৩০ লাখ শিশু জন্মগ্রহণ করে। এদের মধ্যে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ বা ৪ লাখ শিশু অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেয়, যারা আরওপির ঝুঁকিতে থাকে। ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর প্রিভেনশন অব ব্লাইন্ডনেসের (আইএপিবি) তথ্য বলছে, প্রতি বছর ৩২ হাজার ৩০০ শিশু আরওপিজনিত অন্ধত্বের শিকার হয় বা দৃষ্টিশক্তি হারায়। এ হিসেবে মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে বর্তমানে তৃতীয় আরওপি মহামারি চলছে।

অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মুনীর আহমেদ বলেন, আমরা সত্যিকার অর্থে যদি ইউনিভার্সেল আই হেলথ কাভারেজ অর্জন করতে চাই, তাহলে শিশুদের মা-বাবা, সেবা প্রদানকারী এবং নবজাতক-সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীসহ সব অংশীজনের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। জেলা পর্যায়ে যেসব নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট, নবজাতক বিশেষ পরিচর্যা ইউনিট এবং মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল রয়েছে, সেগুলোকে যদি আমরা প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও মানবসম্পদ এবং অক্সিজেন পরিচালনা পà¦