বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউস সানি ১৪৪৮


১৮ শতাংশ বাড়ছে গ্যাসের দাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা আসছে আজ। গ্রাহক ভেদে গ্যাসের দাম পৌনে ১১ থেকে ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। গড়ে বাড়তে পারে ১৮ শতাংশ। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আজ রোববার বেলা ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন দাম ঘোষণা করবে বলে সূত্র জানিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এমনিতেই করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর সব শ্রেণীর ভোক্তা ও শিল্প উদ্যোক্তারা নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে টিকে থাকার চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে উদ্যোক্তারা মুনাফার মার্জিন কমিয়ে পণ্য রফতানি করছেন। ইতোমধ্যে ডলারের দাম বেড়ে গেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে সবধরনের পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে বিদ্যুতের দামও বেড়ে যাবে। এক দিকে গ্যাসনির্ভর শিল্পগুলোর ব্যয় বাড়বে, একই সাথে বিদ্যুতের দাম বাড়বে, পণ্যের উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে যাবে। পণ্যমূল্য আরো বাড়বে। এতে জনসাধারণের দুর্ভোগ যেমন বাড়বে, তেমনি উদ্যোক্তারাও প্রতিযোগিতার সক্ষমতা হারাবেন বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

গত মার্চে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ওপর গণশুনানির আয়োজন করেছিল বিইআরসি। ওই গণশুনানিতে সব ধরনের ভোক্তা এর বিরোধিতা করেছিলেন। কিন্তু এরপরেও বিইআরসির কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি ২০ শতাংশ দাম বৃদ্ধির পক্ষে মতামত দিয়েছিল। আর ওই মতামতের ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দাম বৃদ্ধির ঘোষণা আসছে আজ।

সবশেষ ২০১৯ সালে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছিল। ওই সময়ে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির আদেশে পাইকারি দর প্রতি ঘনমিটার ১২ টাকা ৬০ পয়সা করা হয়। ভর্তুকি দিয়ে ৯ টাকা ৭০ পয়সা বিক্রির নির্দেশ দেয় বিইআরসি।

জানা গেছে, সব শ্রেণীর গ্রাহকের গ্যাসের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব করে সব বিতরণ কোম্পানি। আবাসিক গ্রাহকের ব্যবহৃত প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ৯ টাকা ৩৬ পয়সা থেকে ২০ টাকা ৩৫ পয়সা এবং শিল্পে ব্যবহৃত প্রতি ঘনমিটারের গ্যাসের দাম ১০ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২৩ টাকা ২৪ পয়সা নির্ধারণ করার প্রস্তাব করা হয়। একই সাথে ক্যাপটিভে (শিল্পকারখানায় নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাস) ১৩ টাকা ৮৫ পয়সার স্থলে ৩০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়।

এর আগে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের ওপর বিইআরসির গণশুনানিতে সব ধরনের ভোক্তাই বিরোধিতা করেছিলেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিতরণ কোম্পানিগুলোর প্রত্যেকটিই মুনাফায় রয়েছে। অন্য দিকে বর্তমান অবস্থায় জনগণের বাড়তি দাম দেয়ার সামর্থ্য নেই। আর কোম্পানিগুলো দাম বৃদ্ধির যৌক্তিকতা প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা হিসাব করে দেখিয়ে দিয়েছি যে, গ্যাà¦