সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়ান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ওলীউর রহমান স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় সিলেট ও সুনামগঞ্জের অধিকাংশ উপজেলার মানুষজন একেবারে নাজেহাল। টানা বৃষ্টি এবং ভারত থেকে আসা পাহাড়ী ঢলে এই দুটি জেলার নিম্নাঞ্চলের মানুষগুলো নিতান্ত কাবু হয়েপড়েছেন। একেতো কিছু দিন আগের বন্যায় পাকা ধানে ভরা মাঠ তলিয়ে গেছে পানির নীচে, মাছের খামার, নার্সারী ইত্যাদি ভেসে গেছে বানের পানিতে।

এছাড়া প্রথমবার বন্যায় যাদের বাড়ি ঘর নস্ট করে দিয়েছে তারা বসত ভিটাকে বসবাসের উপযোগী করতে না করতে আবারো বন্যায় নিমজ্জিত করে দিয়েছে সব কিছু।

পানিবন্ধী এলাকাগুলোতে মানবিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে। অনেক আশ্রয় কেন্দ্রও তলিয়ে গেছে পানির নীচে। সেখানে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নেই, খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। নেই রান্না করার জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানী কাঠ এবং এক তিলকে শুকনো জায়গা। অনেক হাস-মুরগি ও গবাদি পশু হারিয়ে গেছে, ভেসে গেছে বানে পানিতে।

গরু ছাগলগুলো নিয়ে কৃষকেরা পড়েছেন মারাত্মক বেকায়দায়। স্ত্রী সন্তানদের চিন্তা করবেন না গরু বাছুরের কথা চিন্তা করবেন। চোখের সামনে মূল্যবান সম্পদগুলোর দুর্বস্থা দেখে হাউমাউ করে বিলাপ করছেন অসহায় গৃহস্তরা।

থামছেনা টানা বৃষ্টি, চোখের সামনে নিমিষেই হারিয়ে যাচ্ছে অনেক স্বপ্ন, পানিবন্দী মানুষের চোখে বোবা দৃষ্টি। সামনে শুধু অন্ধকার। কিছুই ভেবে পাচ্ছেননা, কী করবেন, কোথায় যাবেন? সামনে যেন কেবলই অন্ধকার।

অবশেষে নিজের ও পরিবারের লোকদের জীবন রক্ষা করতে অনেক আসবাব পত্র, মূল্যবান সম্পদ, অনেক পরিবারের গোলাভরা ধান ইত্যাদি পেছনে রেখে নিজেদের জীবন রক্ষার তাকিদে ছুটে চলেছেন কোন আশ্রয়ের দিকে। এখানেই শেষ নয়, যেখানে এসে উঠেছেন কিছুক্ষণ পর হয়ত সেখানে এসেছে বন্যার পানি। বিপদ যেন পিছু ছাড়ছেনা। বিপদের উপর বিপদ। এই ছিল পানিবন্দী লাখ লাখ পরিবারের অবস্থা।

তাছাড়া অধিকাংশ পানিবন্দী এলাকাগুলোর সাথে প্রায় সব রকম যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়ে। স্থল পথের যোগাযোগ বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি মোবাইলেও ঠিকমত যোগাযোগ করা যায়নি। ইন্টারনেট সার্ভিসও ছিল অচল। পরিবারের একেকজন একেক জায়গায়, কেউ কারো সাথে যোগাযোগ করতে পারছেনা। এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা।

মনে হচ্ছিল মোবাইল কোম্পানীগুলোর নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থা একবারে ভেঙ্গে পড়েছে। এর কারণ সুস্পষ্ট নয়। বলা হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকার কারণে মোবাইল নেটওয়ার্কের টাওয়ারগুলো বন্ধ হয়েগেছে, যার কারণে মোবাইলের নেটওয়ার্ক প্রব্লেম হয়েছে এবং ইন্টারনেট সার্ভিসও অচল হয়ে পড়েছে। এসব খোড়া যুক্তি দিয়ে তারা জনগণকে প্রবোধ দেয়ার চেসà