বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :

৮০ হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য, নিয়োগে ধীরগতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষক ও প্রভাষক পদে ২০১৫ সাল থেকে নিয়োগের সুপারিশ করে আসছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

দক্ষ শিক্ষক দ্রুত নিয়োগ দিতেই এনটিআরসিএর হাতে ক্ষমতা দেয় সরকার। কিন্তু মামলায় বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া। দুই বছর নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধও রাখতে হয়েছিল। নিয়োগ-কার্যক্রম শুরুর সাত বছরে তাদের ঘাড়ে ৫৩৬টি মামলা ঝুলছে। প্রায় ৮০ হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য। মামলাজটে ধীরে এগোচ্ছে তাদের কার্যক্রম।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে শিক্ষার ২০ দপ্তরের বিরুদ্ধে ৬ হাজার ৩টি মামলা ঝুলছে। এ বছরের মার্চ পর্যন্ত মামলা ছিল ৫ হাজার ৯৬৯টি। গত এপ্রিল মাসে মামলা হয়েছে ৩৪টি। গত এপ্রিল মাসে ৫০৭টি মামলার জবাব পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষায় সবচেয়ে বেশি মামলা রয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে, মোট ৪ হাজার ২১০টি মামলা। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের বিরুদ্ধে ৩৯৮টি, শিক্ষাপ্রকৌশল অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে ৩৮টি, ব্যানবেইসের বিরুদ্ধে ২১টি, বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের বিরুদ্ধে ১১টি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের বিরুদ্ধে ১টি, এনটিআরসিএর বিরুদ্ধে ৫৩৬টি, জাতীয় শিক্ষা একাডেমির (নায়েম) বিরুদ্ধে ৭টি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের বিরুদ্ধে ৪৪টি, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিরুদ্ধে ১৫০টি, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের বিরুদ্ধে ১৬৪টি, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বিরুদ্ধে ১০৭টি, যশোর শিক্ষা বোর্ডের বিরুদ্ধে ১০৪টি, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের বিরুদ্ধে ৭৬টি, দিনাজপুর

শিক্ষা বোর্ডের বিরুদ্ধে ৬৬টি, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের বিরুদ্ধে ৮৬টি, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের বিরুদ্ধে ৬৫টি, সিলেট শিক্ষা বোর্ডের বিরুদ্ধে ৪০টি এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডের বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা রয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (নিরীক্ষা ও আইন) খালেদা আক্তার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘শিক্ষার সব দপ্তরের নিজস্ব আইন বিভাগ আছে। তারা মামলাগুলো পরিচালনা করে থাকে। তবে আমাদের কাছে যদি কোনো পরামর্শ চায়, আমরা তাদের সহায়তা করে থাকি।’

মামলাসংক্রান্ত বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ মাসিক সমন্বয় সভায় জোরেশোরে আলোচনা হয়েছà