|| আবু সাঈদ ||
বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রব্যমূল্যের দাম ঊর্ধ্বমূখী। হু হু করে বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম। তাই সবাইকে হিসাব কষে চলতে হচ্ছে। প্রাধান্য দিতে হচ্ছে ‘অধিক প্রয়োজন’কে। সংকটকালীন এ মূহুর্ত যাপনে ইসলামের রয়েছে সুনির্দিষ্ট পরামর্শ। ইসলামী অর্থনীতিবিদগণ মনে করেন, পরামর্শগুলো ব্যক্তি জীবনে আমলে নিলে তুলনামূলক সহজ প্রক্রিয়ায় সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।
নারায়ণগেঞ্জের জামিয়া আরাবিয়া আনওয়ারুল উলূম হাজী সাইজউদ্দিন এর সিনিয়র মুফতি শায়খ ইলিয়াছ খান আওয়ার ইসলামকে বলেন, ‘দেশ এখন সংকটময় মূহুর্তের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তাই আমাদের বিলাসী ব্যয় কমাতে হবে। খাদ্য ছাড়া অন্যান্য খাতের ব্যয় কমিয়ে আনতে হবে। অপচয় ছেড়ে মিতব্যয়ী হতে হবে।’
স্বদেশীয় পণ্য ক্রয়ের পরামর্শ দিয়ে উদীয়মান এ ইসলামী অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘ডলার সঙ্কটের কারণে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানী করতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। সেজন্য আমরা নিত্যপ্রয়োজনে দেশীয় পণ্যে চাহিদা পূরণ করার চেষ্টা করা উচিৎ।’
‘প্রত্যেকেই নিজ অবস্থান থেকে কিছু উৎপাদনে মনোযোগ দেওয়া উচিৎ। শহুরে মানুষজনের পক্ষে ছাদকৃষির মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা দ্রব্য উৎপাদন করা সম্ভব। গ্রামের মানুষজনও নিজেদের সুবিধামত স্থানে করতে পারে কিছু উৎপাদন। এতে নিজেদের ব্যয় কিছুটা হলেও কমে আসবে।’ সঙ্কটময় মূহুর্তে আর্থিক ব্যয় সংকোচনে এমন সামান্য চাষাবাদও ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
ব্যবসায়ীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে শায়খ ইলিয়াছ খান বলেন, ‘এ সঙ্কটকালীন পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের উদার ও আন্তরিক আচরণ করা উচিৎ। পণ্যের দাম চড়াভাবে না হাঁকিয়ে সাধ্যের মধ্যে রাখা উচিৎ। এতে একদিকে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জিত হবে। অপরদিকে সংকটময় মূহুর্তে অপর ভাইকে সহযোগিতা করার সাওয়াব পাওয়া যাবে।’
বাংলাদেশে ইসলামী অর্থনীতির পথিকৃৎ প্রতিষ্ঠান আইএফএ কনসালটেন্সি লি. এর রিসার্চার এ্যান্ড কনসালটেন্ট ও রাজধানীর প্রসিদ্ধ মাদ্রাসা মারকাযু দিরাসাতিল ইকতিসাদিল ইসলামীর সিনিয়র শিক্ষক মুফতি ফাহিম ফয়সাল আল মাসউদ বলেন, ‘এ সঙ্কটময় মূহুর্তে আমাদের শরীয়াহ বর্ণিত ‘হাজাহ নীতি’ অবলম্বন করে চলতে হবে।’
‘হাজাহ নীতি’ ব্যাখ্যা করে মারকাযু দিরাসাতিল ইকতিসাদিল ইসলামীর সিনিয়র শিক্ষক মুফতি ফাহিম ফয়সাল আল মাসউদ বলেন, ‘হাজাহ নীতি’ ইসলামী অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা। ইসলাম অর্থনৈ