আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বর্তমানে চোখ ওঠা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। পরিবারের কোনো এক সদস্যের চোখে এই সমস্যা দেখা দিলে অন্যান্যদের মধ্যেও পালাক্রমে ঘটছে সংক্রমণ। ছোঁয়াচে এই সংক্রমণের পেছনে দায়ী ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও অ্যালার্জেন।
এই সংক্রমণের ফলে চোখ গোলাপি বা লালচে হয়ে যায়, একই সঙ্গে চোখে কাঁটার মতো অনুভূতি হয়। এছাড়া চোখ দিয়ে পানি পড়া, সাদা স্রাব জমা, চোখ জ্বালাপোড়া, ব্যথা, আলোর দিকে তাকাতে না পারা, চোখ ফুলে যাওয়া ইত্যাদি যন্ত্রণাদায়ক লক্ষণ দেখা দেয়।
যদিও চোখ ওঠার সমস্যা নিজ থেকেই সেরে যায় কিছুদিনের মধ্যে, তবে কয়েকটি ঘরোয়া উপায়ের মাধ্যমে এর যন্ত্রণাদায়ক লক্ষণগুলো থেকে স্বস্তি লাভ করতে পারে। একই সঙ্গে চোখের এই সংক্রমণের ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু বিষয়ের প্রতি সতর্ক থাকতে হবে।
চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক চোখ উঠলে যা করবেন-
ঠান্ডা সেঁক নিন: কনজেক্টিভাইটিসের কারণে চোখের চারপাশে প্রদাহের সৃষ্টি হয়। যা যন্ত্রণাদায়ক। এক্ষেত্রে চোখের জ্বালাপোড়া, ব্যথা এমনকি ফোলাভাব কমাতে ঠান্ডা সেঁক নিন। যা প্রদাহ কমাতে ও এই লক্ষণগুলোকে প্রশমিত করতে সাহায্য করতে পারে।
এজন্য ঠান্ডা পানিতে একটি পরিষ্কার রুমাল বা ছোট তোয়ালে ভিজিয়ে তার থেকে অতিরিক্ত পানি ঝরিয়ে নিন। এবার ভেজা রুমালটি কয়েক মিনিটের জন্য আক্রান্ত চোখের উপর ধরে রাখুন।
তবে খেয়াল রাখবেন পরিবারের অন্য কেউ যেন ওই রুমাল আর ব্যবহার না করেন, সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যেও কিন্তু ছড়াতে পারে কনজেক্টিভাইটিস। এমনকি এক রুমাল দ্বিতীয়বার ব্যবহার না করাই ভালো ঠান্ডা সেঁক নেওয়ার জন্য।
ভেজা কাপড়ে চোখ পরিষ্কার: পিঙ্ক আইজ বা গোলাপি চোখ কিংবা কনজেক্টিভাইটিস ব্যাকটেরিয়াজনিত কারণে হয়। এক্ষেত্রে চোখ থেকে ঘন স্রাব বা পুঁজ বের হতে পারে। ফলে সকালে ঘুম থেকে উঠলে দেখা যায় অনেকেই চোখ খুলতে পারেন না।
কারণ পুঁজ দ্রুত শুকিয়ে যায় ও চোখের পাঁপড়ির সঙ্গে তা শুক্ত হয়ে লেগে যায়। ফলে চোখ খুলতে কষ্ট হয়। এমন হলে অবশ্যই একটি হালকা গরম ভেজা কাপড় দিয়ে আলতো হাতে চোখ পরিষ্কিার করতে হবে। তবে চোখ জোরে জোরে ঘষা যাবে না।
চোখের ড্রপ ব্যবহার: চোখ ওঠার সমস্যায় স্বস্তি পেতে ব্যবহার করতে পারেন চোখের ড্রপ। চোখের জ্বালাপোড়া, পানি পড়া, ব্যথা বা কাঁটার মতো অনুভূতি সারাতে ওটিসি চোখের ড্রপ কিনে ব্যবহার করতে পারেন।
চোখের ড্রপগুলো তাদের জন্য বিশেষ সà