আব্দুল্লাহ আফফান।।
আধিপত্য বিস্তার, সিট বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, সাধারণ ছাত্রীদের হেনস্তাসহ নানা ঘটনায় বারবার আলোচনায় আসে ইডেন কলেজ। এসব নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেন এক নেত্রী। এরপরই উত্তপ্ত হয়ে উঠে কলেজ। শিক্ষার্থীদের দিয়ে দেহব্যবসা করানোর মতো গুরুতর অভিযোগ তুলেন ইডেনের কতিপয় নেত্রী।
এনিয়ে আলোচনার শীর্ষে ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীর ইডেন কলেজ। গুরুতর এ অভিযোগ নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় হচ্ছে নানান আলোচনা-সমালোচনা। লেখালেখি হচ্ছে গণমাধ্যমেও। এ বিষয়ে কথা বলেছেন— মুফতি ইউসুফ সুলতান, মুসা আল হাফিজ, রুহুল আমিন সাদী, ওমরফারুক ফেরদৌস।
গুরুতর এ অভিযোগ বিষয়ে আইএফএ কনসালটেন্সির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মুফতি ইউসুফ সুলতান বলেছেন, ইসলামে মানুষের সম্মান রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মানুষের চূড়ান্ত সম্মানহানি হয় যে বিষয়ে— অবৈধ শারীরীক সম্পর্কের অভিযোগ— এ ক্ষেত্রে অভিযোগ প্রমাণে ও শাস্তি কার্যকরে কঠিন রিকোয়ারমেন্ট আছে। বরং কোনো সতী নারীকে যিনার অপবাদ দিয়ে প্রমাণিত না হলে উল্টো অপবাদকারীর ওপর অপবাদের নির্ধারিত শাস্তি প্রযোজ্য হয়।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি ইডেনে আমাদের বোনদের নিগ্রহের যে সব সংবাদ সামনে আসছে, আমরা এতে অত্যন্ত মর্মাহত। নারীর সম্মান ও নিরাপত্তায় ইসলাম সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। সমাজের কোনো বিবেববানই এ ক্ষেত্রে ভিন্ন চিন্তা করতে পারেন না। আমরা আশা করি, অথোরিটি বিষয়টা খতিয়ে দেখবেন এবং তাদের সম্পূর্ণ সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। একই সঙ্গে আমাদের বোনদের আরো সতর্ক হতে এবং শরীয়াহ পরিপালনের পরামর্শ দেব এবং তাদের গার্ডিয়ানদের তাদের সম্মান ও নিরাপত্তার পূর্ণ খেয়াল রাখতে অনুরোধ করবো।
‘তবে এ অভিযোগের ভিত্তিতে ঢালাওভাবে কোনো কলেজ বা প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্রীর ব্যাপারে এ অভিযোগ তোলা ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত ঘৃণ্য কাজ।’
কবি ও গবেষক মুসা আল হাফিজ বলেছেন, ইডেনপ্রশ্নে ঢালাও প্রচারণা খুবই অন্যায়। সেখানে অনাচারকারীদের সংখ্যা অনেক। কিন্তু নিজের আত্মমর্যাদা, শ্লীলতা ও দায়িত্বসচেতন মেয়েরা ঢালাও তুহমতের শিকার না হোক। তাদের সংখ্যাও অনেক। এমন বহু পরিবার আমার জানা, আমাà¦