মুফতি আহমাদ রাফি জাকির: ইসলামী শরীয়া'হর মূলনীতি ও বিধি-বিধান আল্লাহ তা'আলা মানুষের জন্য উপযোগি ও কল্যাণকর বানিয়েই সাজিয়েছেন। ইসলাম মানব জিবনের লক্ষ্যস্হির রেখে আনন্দ-ফূর্তি ও প্রফুল্লতাকে পুরো সমর্থন করে। তাই শরয়ী বিধি-বিধান পালনে সংকীর্ণমনা ও মনঃক্ষুণ্ণ হয়ে আমাল করার বিপরীতে আনন্দ-ফূর্তি ও প্রফুল্ল মনে আমাল করাকেই ইসলাম অধিক পছন্দ করে। এই মূলনীতির আলোকে খেলাধুলা ও বিনোদনের ক্ষেত্রেও শরীয়ত সমর্থিত আনন্দ-উল্লাস ও বিনোদনকে ইসলামে পুরোপুরি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
সুনানে ইবনে মাজাহ'র হাদিসে এসেছে, তিনটি খেলা ছাড়া মানুষের জন্য অন্যান্য খেলা অনর্থক ও বেকার।
[১] তীরন্দাজ করা [২] ঘোড়া প্রশিক্ষণ দেয়া [৩] আপন স্ত্রীর সাথে খেলা করা।
জামে সগীরে বর্ণিত একটি হাদিসে তিনটি খেলার স্থানে চারটি খেলা বৈধতার প্রমাণ পাওয়া যায়। [১]আপন স্ত্রীর সঙ্গে আনন্দ-ফূর্তি ও খেলাধুলা করা। [২] নিজ ঘোড়াকে প্রশিক্ষণ দেওয়া [৩] দু'টি নিশানার মাঝে চলা [তীর চালানো] [৪] সাঁতার শেখানো।
ইসলামের পছন্দনীয় খেলাসমূহের মধ্যে একটি হচ্ছে তীর চালানো। রাসুল সা. এই খেলা শেখাকে সাওয়াব ও পূর্ণের কাজ বলে আখ্যা দিয়েছেন। বিশ্ব বরেণ্য মুফতি আল্লামা তাকি উসমানি দা.বা. বলেন,"তীর নিক্ষেপ" শব্দটি ব্যাপক। তীর নিক্ষেপ শব্দের মধ্যে অন্যান্য নিক্ষেপের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত।
যেমন: লক্ষ্য নির্ধারণ করে গুলি ছুঁড়া, রকেট,মিসাইল, বোমা নিক্ষেপ ইত্যাদি। এগুলোর প্রশিক্ষণ শারীরিক-মানসিক ব্যায়ামের পাশাপাশি পূর্ণ ও ছাওয়াবের কাজ। বিশেষত: কাফির-পরাশক্তির সাথে যুদ্ধের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে ফলপ্রসূ।
আর অশ্ব পরিচালনা করা ইসলামে অতি পছন্দনীয় খেলা। এই খেলা শারীরিক ব্যায়ামের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে দক্ষতা,সাহসীকতা,দূরদর্শিতা এবং মনের বিশালতার মত উঁচু গুনাবলির সমন্বয় ঘটায়। তৃতীয় পছন্দসই খেলা হলো স্বামী-স্ত্রী পরস্পরে আমোদ-প্রমোদ ও আনন্দ-ফূর্তি করা। দাম্পত্য জীবনের হিকমাতের দিকে খেয়াল করলে তা শুধু জায়েজই নয় বরং অনেক পূর্ণ ও ছাওয়াবের কাজও বটে।
এছাড়াও সাঁতারের অনুশীলন,দৌড় প্রতিযোগিতা, কুস্তি খেলা ইত্যাদি হাদিস ও আসার সমূহের দ্বারা প্রমাণিত বৈধ খেলার অন্তর্ভুক্ত। শরয়ী বিধানের আলোকে এই খেলাগুলো জায়েয হওয়ার ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। আর যেসব খেলা কোন গুনাহের কাজ সমর্থিত বা সহায়ক তা একেবারেই নাজায়েয।
যেমন: যে খেলাগুলোতে ইসলামি শরীয়া'হর খà