সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রশাসনের দুর্বলতা ও উদাসীনতায় অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে: পীর সাহেব চরমোনাই রিমান্ড শেষে এমপি নজরুল কারাগারে  প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা নিয়ে সরকারের জরুরি বার্তা জামায়াত থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসে যোগ দিলেন প্রকৌশলী ‘কাদিয়ানিদের সম্মেলনে ইহুদিদের ঢল বিশ্ব মুসলিমের জন্য গুরুতর সংকেত’ মডেল মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা প্রকাশ জাতীয় প্রেক্ষাপটে কওমি ধারা: বিভেদ পেরিয়ে ঐক্যের পথে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের বিদায়ী সাক্ষাৎ সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব

ইসলামে বিজয়ের তাৎপর্য

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আলহাজ হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ আজিজুল হক।।

১৬ ডিসেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনে অতি গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎপর্যমন্ডিত। ১৯৭১ সালে ১৬ই ডিসেম্বর দীর্ঘ নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রাম, লাখো শহীদের আত্নদান আর কোটি কোটি মানুষের অশ্রুর বিনিময়ে বাঙালী জাতি সেদিন এ বিজয় অর্জন করেছিল। ইসলাম ফিতরাতের ধর্ম তথা স্বভাব ধর্ম। আর মানুষের স্বভাব হলো সে স্বাধীন থাকবে।

কোনো অন্যায় ও আগ্রাসী শক্তির কাছে নতি স্বীকার করবে না। যখন তার স্বাধীনতাকে খর্ব করা হবে, তখনই সে প্রতিবাদী হয়ে জ¦লে উঠবে। ইসলাম আমাদের এ শিক্ষাই দেয় যে, একমাত্র নিঃশর্ত আত্নসর্ম্পন হবে আল্লাহ তায়ালার সমীপে। কোন জালিম অপশক্তির সামনে মাথানত করা যাবে না।

রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি কোন অন্যায় কাজ হতে দেখে, যদি হাত দ্বারা বন্ধ করার শক্তি রাখে তবে উহাকে হাত দ্বারা বন্ধ করে দিবে। যদি এই পরিমান শক্তি না রাখে তবে জবান দ্বারা উহার প্রতিবাদ করবে।

আর যদি এতটুকু শক্তিও না থাকে তাহলে অন্তর দিয়ে উহাকে খারাপ মনে করবে। আর এটা ঈমানের সর্বনিম্ন স্তর। (মুসলিম) বুঝা যাচ্ছে, অন্যায়কে প্রতিহত করতে হবে। হক্কানী উলামায়ে কেরাম সর্বকালেই স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি ছিলেন আর তারা জাতিকে মাথা উঁচু করে দাড়াঁবার শিক্ষা দিয়েছেন।

ইরশাদ হচ্ছে, “খোদাভীরুদের মধ্যে দুই ব্যক্তি বলল, যাদের প্রতি আল্লাহ অনুগ্রহ করেছিলেন, তোমরা তাদের উপর আক্রমন করে দরজায় প্রবেশ কর। অতঃপর তোমরা যখন তাতে প্রবেশ করবে, তখন তোমরাই জয়ী হবে। আর আল্লাহর উপর ভরসা কর যদি তোমরা বিশ^াসী হও”। (সূরা মায়েদা, আয়াত ২৩)

এ কথাগুলো বলেছিলেন সে জাতির দুইজন পরহেজগার আলেম। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী শাসকদের অন্যায়-নির্যাতন, বৈষম্য ও প্রতারণার বিরুদ্ধে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দলমত নির্বিশেষে এ দেশের সকল শ্রেণীর মানুষ সেই মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলেন। সশস্ত্র সংগ্রামে অংশ নিয়েছিলেন হক্কানী উলাময়ে কেরাম।

বিশেষ করে উলাময়ে দেওবন্দের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। ইসলামের দৃষ্টিতে স্বাধীনতা আল্লাহ তায়ালার পক্ষ হতে এক মহা নিয়ামত। পক্ষান্তরে পরাধীনতা আল্লাহর লা’নত। ইসলামে স্বাধীনতার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে ইরশাদ হচ্ছে, তারা এমন লোক যাদেরকে আমি শক্তি-সামর্থ (রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা) দান করলে তারা নামাজ কায়েম করবে, যাকাত দিবে এবং সৎ কাজে আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ করবে। প্রত্যেক কর্মের পরিণাম আল্লাহর এখতিয়ারভূক্ত (সূরা হজ্জ, আয়াত ৪১)।

১৯৭১ সালে পাকà¦