বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন প্রাথমিক শিক্ষায় নাচ-গান ও নাটক অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে মহিলা মজলিসের সমাবেশ ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্টে দানে মিলবে কর ছাড় ভারতের পুশইন অপচেষ্টা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি: খেলাফত মজলিস বাজেটে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘সুখবর’ বিশ্বকাপ উন্মাদনা: আবেগের উল্লাসে আদর্শের বিসর্জন প্রস্তাবিত বাজেট: দাম কমবে ৬০ পণ্যের নতুন বাজেটে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষায় বরাদ্দ ১৮,৪৫৯ কোটি টাকা

‘বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশন করুন’ -মিডিয়াকে সিইসি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: মিডিয়া ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টি করে, সবাইকে চাপে রাখে মন্তব্য করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, মিডিয়ার কারণে আমরাও কিন্তু চাপে থাকি।

আজ রোববার (২৯ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) নতুন কমিটির দায়িত্বগ্রহণ ও পুরোনো কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন সিইসি।

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, মিডিয়ার ভূমিকা নিয়ে খুব একটা বেশি কথা বলার প্রয়োজন পড়ে না। আমরা যদি মিডিয়াকে দেশ থেকে একেবারেই ব্লাকআউট করে দিতে পারি, তাহলে কিন্তু ডিজাস্টার হয়ে যাবে। রাষ্ট্রই বিনষ্ট হয়ে যাবে। মিডিয়া ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টি করে। মিডিয়া সবাইকে চাপে রাখে। মিডিয়ার কারণে আমরাও কিন্তু চাপে থাকি।

সিইসি বলেন, এখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে যোগ দেওয়ার পর থেকে মিডিয়ার ভূমিকাটা অত্যন্ত কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে আমার। আমরা এমনিতেও মিডিয়ার সঙ্গে পরিচিত। কারণ ঘুম থেকে উঠেই আমরা পত্রিকা পড়ি।

তিনি বলেন, আপনারা বস্তুনিষ্ঠভাবে সংবাদ সংগ্রহ করবেন, পরিবেশন করবেন। আমাদের মধ্যে যদি কোনো বিচ্যুতি ঘটে এবং সেটি যদি আপনাদের দৃষ্টিতে চলে আসে, সেটি কেনো প্রচার করবেন না? আমার বিচ্যুতি ঘটবে কেনো? সেগুলো আপনারা করবেন। আপনারা সেটি করেন বলেই ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য অনেকটা তৈরি হয়।

তিনি আরও বলেন, সামনে সাধারণ নির্বাচন আসছে। এই নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে প্রবল আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক কারণে, ঐতিহাসিক কারণে। সেই নির্বাচনটা ঘনিয়ে আসছে। এখানে আপনাদের ভূমিকা যদি বস্তুনিষ্ঠ হয়, তাহলে সবার মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়। নির্বাচনে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মিডিয়ার কারণে তারাও সচেতন থাকেন। এমনকি যারা শক্তিমান তারাও মিডিয়ার ভূমিকাকে মূল্যায়ন করে।

অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব খান (অব.) বলেন, আপনারা (সাংবাদিক) যা ইচ্ছে লিখতে পারেন না। কারণ আপনারা আপনাদের কাজের জন্য নিজেদের কাছে নিজেরা দায়বদ্ধ।

নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা বলেন, নির্বাচনে সাংবাদিকদের বড় ভূমিকা রয়েছে। আপনারা কমিশনের গঠনমূলক সমালোচনা করবেন। পাশাপাশি কমিশনের কার্যক্রম ইতিবাচকভাবে তুলেও ধরবেন। তবে নির্বাচনের ওপর জনগণের যেন নেতিবাচক ধারণা তৈরি না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলমসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

-টিএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ