সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


যে ব্যক্তির দোয়া কবুল হতে দেরি হয় না!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ফাহিম আহমাদ: ইস্তেগফার এমন এক আমল, যা মানুষকে আল্লাহর কাছে ‘মুঝতাঝাবুদ দাওয়াহ’ বানিয়ে দেয়। আর ‘মুঝতাঝাবুদ দাওয়াহ’ হলো এমন ব্যক্তি, যে ব্যক্তি দোয়া করতে দেরি; কিন্তু সে দোয়া কবুল হতে মুহূর্ত দেরি হয় না।

‘মুঝতাঝাবুদ দাওয়াহ’ হওয়ার আমলটি ছোট্ট এবং সহজ। নিজেকে ‘মুঝতাঝাবুদ দাওয়াহ’ হিসেবে তৈরি করতে সব সময় ইসতেগফার করতে থাকা।

ওঠা-বসা চলা-ফেরায় আল্লাহর কাছে ক্ষমা পার্থনার নিয়তে ‘আস্তাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ (اَسْتَغْفِرُ الله – اَسْتَغْفِرُ الله) বলতে থাকার নিয়মিত আমল করা।

ছোট্ট একটি আমলের কারণেই সামান্য রুটি বিক্রেতা হয়েছিলেন ‘মুঝতাঝাবুদ দাওয়াহ’। যার দোয়া আল্লাহ তাআলা অভিনবভাবে কবুল করেছিলেন। যার সাক্ষী ছিলেন যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রাহমাতুল্লাহি আলাইহি নিজেই।

ইমাম হাম্বল রাহমাতুল্লাহি আলাইহির বর্ণনায় রুটি বিক্রেতার দোয়া কবুলের ঘটনা-জগৎ বিখ্যাত মুহাদ্দিস হজরত ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহমাতুল্লাহি আলাইহি সারাজীবন হাদিস সংগ্রহে কাটিয়ে দিয়েছেন।

এটি তার শেষ জীবনের ঘটনা। একবার তিনি বৃদ্ধ বয়সে হাদিস সংগ্রহে এক সফরে বের হয়েছিলেন। সফরের মধ্যে রাত একবার এক মসজিদে মাগরিব আর ইশা নামাজ আদায় করেন এবং রাত অতিবাহিত করার চিন্তা করেন। সময়টি ছিল শীতকাল। তিনি চিন্তা করলেন ফজরের নামাজ পড়েই এ মসজিদ থেকে বিদায় নেবেন।

তিনি মসজিদে বসে শীতের কাপড় মুড়ি দিয়ে হাদিস পড়া শুরু করলেন। এমন সময় মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণকারী এসে বললেন, এ এলাকার নিয়ম হচ্ছে, রাতে মসজিদে থাকা যাবে না।

মুহাদ্দিস আহমাদ ইবনে হাম্বল অনেক বিনয়ের সঙ্গে বলার পরও মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণকারী ব্যক্তি শুনলেন না। নিরুপায় হয়ে তাকে মসজিদ থেকে বের হতে হলো।

শীতের রাতে হাটতে হাটতে এক বাজারে গিয়ে পৌছলেন। সেখানে রুটি বিক্রেতা এক যুবককে দেখলেন। মুহাদ্দিস আহমাদ ইবনে হাম্বল রুটি বিক্রেতা যুবককে সালাম দিয়ে বললেন, হে যুবক! শীতের রাত, আমি কি তোমার কাছে আগুনের কাছে বসে রাতটা কাটাতে পারব?

যুবক বিনয়ের সঙ্গে সম্মতি জানিয়ে বললেন- ‘আহলান, ওয়া সাহলান! আপনাকে স্বাগতম। এটা আমার খোশ নসিব। আপনি এখানে আগুনের পাশে বসে রাত কাটালে আমার কোনো সমস্যা নেই।

মুহাদ্দিস আহমাদ ইবনে হাম্বল চুলার পাশে বসে হাদিস পড়ছিলেন। কিন্তু তিনি যুবকের একটা আমল লক্ষ্য করলেন। তাহলো-
যুবক রুটি তৈরিতে যা-ই করছেন, তাতেই তিনি ‘আসতাগফিরুল্লাহ’, ‘আসà§