আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পবিত্র কুরআনে বিভিন্ন প্রকারের পানির মধ্যে পার্থক্য করেছে এবং একে বিভিন্ন প্রকারে ভাগ করে যেমন "ফুরাত"-এর পানি (সুস্বাদু পানি), “তাহুর” পানি (পবিত্র ও বিশুদ্ধ) পানি এবং "আজাজ" পানি (অতি লবণাক্ত)। কুরআন নাযিলের পরিবেশ ও সময় বিবেচনায় এমন একটি বিষয় যা এক ধরনের অলৌকিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
পবিত্র কুরআন পানির মধ্যে অনেক পার্থক্যকে সাবধানতার সাথে বর্ণনা করেছে এবং বিভিন্ন পানিকে তাদের বিশুদ্ধতার মাত্রা অনুযায়ী বিশেষ নাম দিয়েছে।
পবিত্র কুরআনে বৃষ্টির পানিকে তাহুর বা "শুদ্ধিকরণ পানি" বলা হয়েছে; নদী ও কূপের স্বাদু পানিকে ফুরাত বা ইউফ্রেটিস পানি এবং সমুদ্রের পানিকে ‘আজাজ’ বলা হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের পানির মধ্যে পার্থক্য বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
পবিত্র কুরআনে বৃষ্টির পানিকে ‘তাহুর: বিশুদ্ধ’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। যেহেতু বৃষ্টির জল বাষ্পীভূত হয় এবং তারপরে আকাশ থেক জমিনে বর্ষণ হয়, এজন্য এই পানি সকল প্রকার দূষণ থেকে মুক্ত। জীবাণুমুক্ত ও জীবাণুনাশক বৈশিষ্ট্যের কারণে বিজ্ঞানীরা এই পানিকে "মাকতার বা পাতিত জল" হিসাবে উল্লেখ করেছেন, যা ওষুধে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
যাইহোক, এই পানি হজমসাধ্য পানি নয় কারণ এই পানিতে লবণ এবং সংযোজন রয়েছে যা মাটিতে প্রবাহিত হওয়ার পরে এবং পাথর ও পাথরের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পরে, ঝর্ণা ও নদীগুলির পানিকে পানীয়ের জন্য হজমসাদ্য ও সুস্বাদু পানিতে পরিণত করে। এধরণের পানিকে পবিত্র কুরআনে ফুরাত বা "ইউফ্রেটিস" হিসাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এই পানির বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা পান করার উপযোগী করে তোলে, এই পানি পান করলে মানুষের উপর ভালো মানসিক প্রভাব পড়ে।
পবিত্র কোরআনেও সমুদ্রের পানিকে বিশেষ শব্দ "আজাজ" দিয়ে বর্ণনা করা হয়েছে। যেমনটি সূরা মুবারকাহ ফাতিরে বর্ণিত হয়েছে:
وَمَا يَسْتَوِي الْبَحْرَانِ هَذَا عَذْبٌ فُرَاتٌ سَائِغٌ شَرَابُهُ وَهَذَا مِلْحٌ أُجَاجٌ
দু’টি সমুদ্র একরকম হয় না, একটির পানি সুমিষ্ট এবং সুপেয় এবং অপরটি লবণাক্ত ও তিক্ত স্বাদবিশিষ্ট। সূরা ফাতির, আয়াত: ১২।
এই আয়াতে " عذب فرات" (মিষ্টি) এবং " ملح أجاج" (তিক্ত লবণ) বিশেষণ উল্লেখ করা হয়েছে, যা একদিকে সমুদ্রের মিষ্টি পানিকে নির্দেশ করে এবং অন্যদিকে নোনা পানিকে নির্দেশ করে।
" ملح أجاج" সমুদ্রের পানির জন্য ব্যবহৃত হয় কারণ এটি সমুদ্রের অত্যধিক লবণাক্ততার উপর জোর দেয়। যেহেতু à¦