শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনই ছিল সক্রিয়: পীর সাহেব চরমোনাই মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত চার সমুদ্রবন্দরে দারুল উলুম দেওবন্দে উপস্থিতি ও শৃঙ্খলায় কঠোরতা, নতুন নির্দেশিকা জারি মিরপুরের একটি মসজিদে নেওয়া হবে মুয়াজ্জিন কাম ছানী ইমাম ঢাকায় আসছেন দেওবন্দের মুহতামিম, জেনে নিন ৪ দিনের কর্মসূচি সিলেটে জেলা ও মহানগর নেতাদের সঙ্গে আমিরে মজলিসের মতবিনিময়

যে দোয়া হৃদয়ে আনে প্রশান্তি, দূর করে মানসিক অশান্তি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ছাব্বিতনি, ওয়াজআলনি হাদিয়াম মাহদিয়্যা।

অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি আমাকে স্থির রাখুন, এবং আমাকে হিদায়াতপ্রাপ্ত ও হিদায়াতকারী বানিয়ে দিন।

উপকার : জারির (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) (তাঁকে) বলেছেন, তুমি কি জুল-খালাসাহকে ধ্বংস করে আমাকে চিন্তামুক্ত করবে? সেটা ছিল একটি মূর্তি। লোকেরা এর পূজা করত। সেটাকে বলা হতো ইয়েমেনি কাবা।

আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমি অশ্বপৃষ্ঠে স্থির থাকতে পারি না। তখন তিনি আমাকে বুকে জোরে একটা থাবা মারলেন এবং বলেন (দোয়া করলেন), ‘হে আল্লাহ! আপনি তাকে স্থির রাখুন এবং তাকে হিদায়াতকারী ও হিদায়াতপ্রাপ্ত বানিয়ে দিন।’ তখন আমি আমারই গোত্র আহমাসের ৫০ জন যোদ্ধাসহ বের হলাম। ...তারপর আমি সেই মূর্তিটার কাছে গিয়ে সেটা জ্বালিয়ে ফেললাম।

এরপর আমি নবী (সা.)-এর কাছে এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আল্লাহর কসম! আমি যুল-খালাসাহকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে পাঁচড়াযুক্ত উটের মতো করে আপনার কাছে এসেছি। তখন তিনি আহমাস গোত্র ও তার যোদ্ধাদের জন্য দোয়া করলেন। (বুখারি, হাদিস : ৬৩৩৩)

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ