সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


পবিত্র মাহে রমজান: পূণ্য কামানোর শ্রেষ্ঠ মাধ্যম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

উসমান বিন আ.আলিম।। বছর গুরে চলে এসেছে পবিত্র মাহে রমজান। এই মাস নাজাতের মাস,নিজের জীবনের সকল পাপ মোচনের মাস,বরকতময় মাস, দোয়া কবুলের মাস।এই বরকত ও ফজিলত পূর্ণ মাস হলো প্রতিটি মোমেনের জন্য পূণ্য কামানোর উৎসবের মাস। এই রোজার ফজিলত ও গুরুত্ব আরো স্পষ্ট হবে কোরআনুল কারীমের একটি আয়াত থেকে।এই প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের প্রতি; যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বনকারী মুত্তাকি-পরহেজগার হতে পারো। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ মাস (রমজান) পাবে, সে যেন অবশ্যই তার রোজা রাখে।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৮৩-১৮৫)

এই আয়াত থেকে স্পষ্ট হয় যে,রোজা একজন বান্দার জন্য কতটা গুরুত্ব বহন করে এবং তা কতটা ফজিলতের। রমজানের ফজিলত বর্ণনা করতে গিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলার কসম! মুসলমানদের জন্য রমজানের চেয়ে উত্তম কোনো মাস আসেনি এবং মুনাফিকদের জন্য রমজান মাসের চেয়ে অধিক ক্ষতির মাসও আর আসেনি। কেননা মুমিনগণ এ মাসে গোটা বছরের জন্য ইবাদতের শক্তি ও পাথেয় সংগ্রহ করে। আর মুনাফিকরা এতে মানুষের উদাসীনতা ও দোষত্রুটি অন্বেষণ করে। এ মাস মুমিনের জন্য গনিমত আর মুনাফিকের জন্য ক্ষতির কারণ। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৮৩৬৮)

রমাজানের ফজিলত সম্পর্কে মুসলিম শরীফের আরো একটি হাদীসে কুদসী বর্ণিত হয়েছে; আল্লাহ তায়া’লা ইরশাদ করেছেন:
রোযা আমার জন্য, আর আমিই এর বদলা দিবো (সহীহ মুসলিম- ২৭৬৪)

আল্লাহর তায়া’লার বদলা নিশ্চয়ই অতুলনীয়। তো এই ঘোষিত ফজিলত পূর্ণ মাস রমজান মাস একজন মোমেনের জন্য নেয়ামত স্বরূপ এবং প্রত্যেক মোমেনের জন্য নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা জরুরি। আর এই নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় তখনই হবে যখন একজন মোমেন দুনিয়ার সকল মোহ ত্যাগ করে, সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়ে, এই মাসকে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাবে। আল্লাহর পক্ষ হতে পুরস্কার মনে করে পুরস্কার গ্রহণ করবে এবং সে এটাকে পূণ্য কামানোর মহা সুযোগ মনে করে পুরোপুরি আমলে লেগে যাবে।

সুতরাং এই পবিত্র রমজান মাসে অধিক হারে নেক আমল করার চেষ্টা করা প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য একান্ত আবশ্যক। বিশেষ করে রমজানের শেষ দশকে। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে তিনি বলেন, ‘যখন রমজানের শেষ দশক এসে যেত, রাসুল (সা.) তখন রাত্রি জাগরণ করতেন, পরিবারবর্গকে নিদ্রা থেকে জাগিয়ে দিতেন, লুঙ্গি শক্ত ও ভালো করে বেঁà