আবদুল্লাহ তামিম।। বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের অধীনে অনুষ্ঠিত ৪৬ তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করেছে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী বাইতুল উলুম ঢালকানগর মাদরাসা। ১৪৪৪ হিজরী শিক্ষাবর্ষে ৪৬ তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী কিতাব বিভাগে সর্বমোট ১০৬ জন ছাত্রের মধ্যে মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছে ৬৭ জন। মুমতায (স্টারমার্ক) লাভ করেছে ১০০ জন, জায়্যিদ জিদ্দান (১ম বিভাগ) থেকে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ জন, মাকবুল: ১ জন।
বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ-এর অধীনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় শুরুলগ্ন থেকেই মাদরাসা বাইতুল উলুম ঢালকানগর ঈর্ষণীয় সফলতা অর্জন করে চলছে।
ঢালকানগর মাদরাসার মুহতামিম ও পীর সাহেব ঢালকানগর মুফতি জাফর আহমাদ আওয়ার ইসলাম কে বলেন, ইলম আছে আমল নাই তার সম্পর্ক হয় শয়তানের সাথে, আর ইলমের সাথে আমল থাকলে তার সম্পর্ক হয় নবীদের সাথে। আর নবীদের সাথে যাদের সম্পর্ক থাকে তারা ভালো মানুষ হয়। আমরা চাই আমাদের বাচ্চারা যেনো কাবেল হয় মাকবুল হয়। শুধু কাবেল হলেই হয় না। কাবেলের সাথে মকবুলও হয়। আমরা আমাদের মাদরাসায় সবচেয়ে বেশি যেটা চেষ্টা করি সেটা হলো আমাদের ছাত্ররা যেনো কাবেল হয় ও মাকবুল হয়। আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আমাদের মাদরাসায় চার বছর পাঁচ বছর যাবত অনেক ছাত্র আছে যাদের তাকবিরে উলা ছুটেনি আলহামদুলিল্লাহ।
বাইতুল উলুম ঢালকানগর মাদরাসার শিক্ষাসচিব মুফতি হাবিবুল্লাহ মিসবাহকে এ অসাধারণ সাফল্যের পিছনের মেহনত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে, আমাদের মুহতামিমের দিকনির্দেশনা ফিকির ও দোয়ায়, সব শিক্ষকের সম্মিলিত চেষ্টা এবং ছাত্রদের মেহনতের সমন্বয়ে আমরা ভালো রেজাল্ট করতে পেরেছি। আমাদের ছাত্রদেরকে আলহামদুলিল্লাহ বছরের শুরু থেকেই কিতাব নির্ভর পড়াশোনা করানো হয়। হাশিয়া বাইনাসতরসহ কুতুববীনি ও কিতাবনির্ভর করেই ছাত্রদেরকে গড়ে তোলা হয়। বিশেষ করে নেসাব পরিপূর্ণ করে, হক আদায় করে পড়ানো হয়। আমাদের মুহতামিম মুফতি জাফর আহমাদ নিজেই এ বিষয়গুলো তদারকি করেন।
পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক বেফাক জামাতে আলাদা নেগরান নিযুক্ত করা হয়। বিশেষ করে হাতের লেখা ও আরবি লেখা নিয়ম-কানুন যেনো স