মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ‘হাফপ্যান্ট নিয়ে সতর্কতার জবাবে পাল্টা কর্মসূচি সুস্থ প্রতিবাদ নয়’

একটুকরো জানাজা অভিজ্ঞতা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আরিফ আজাদ

আজকের ঐতিহাসিক জানাজার সালাতে আমিও হাজির হতে পেরেছি, আলহামদুলিল্লাহ। ঠিক মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে পড়তে পারিনি যদিও, আমরা জায়গা পেয়েছি তারচেয়ে কিছু দূরে—রাস্তার উপরে।

রাস্তায় গাদাগাদি করে দাঁড়ানো লোকজন। একজন পারলে অন্যজনের গায়ের উপর উঠে পড়ে—এমন অবস্থা।

জানাজা হওয়ার কথা ছিল দুপুর দুইটায়। কিন্তু নানান ব্যক্তিবর্গের বক্তৃতার কারণে দুপুর গড়িয়ে তিনটে বেজে গেলেও জানাজা শুরু না হওয়ায় লোকজন অস্থির হয়ে উঠছিল।

বক্তাগণ স্টেজে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগ, কর্ম আর অর্জনের ইতিহাসগুলো উল্লেখ করছিলেন।

আমার আশেপাশের লোকেরা তখন বলছিলেন, ‘এইসব ইতিহাস তো আমরা সকলেই জানি। জানাজায় আসা লোকজন বেগম জিয়াকে চিনে, তার ত্যাগের ইতিহাস জানে বলেই তো তারা দলে দলে জানাজায় এসেছে। এসব নতুন করে বলার তো কিছু নেই।’

অনেকে সায় দিলেন। আজকে শৈত্যপ্রবাহও সেভাবে ছিল না৷ দুপুর নাগাদ বেশ ঝলমলে রোদ ছিল আকাশে। ফলে গরমও লাগছিল ভালো রকম। তাই লোকজনের এই অধৈর্য হয়ে উঠা কিছুটা স্বাভা