আরিফ আজাদ
আজকের ঐতিহাসিক জানাজার সালাতে আমিও হাজির হতে পেরেছি, আলহামদুলিল্লাহ। ঠিক মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে পড়তে পারিনি যদিও, আমরা জায়গা পেয়েছি তারচেয়ে কিছু দূরে—রাস্তার উপরে।
রাস্তায় গাদাগাদি করে দাঁড়ানো লোকজন। একজন পারলে অন্যজনের গায়ের উপর উঠে পড়ে—এমন অবস্থা।
জানাজা হওয়ার কথা ছিল দুপুর দুইটায়। কিন্তু নানান ব্যক্তিবর্গের বক্তৃতার কারণে দুপুর গড়িয়ে তিনটে বেজে গেলেও জানাজা শুরু না হওয়ায় লোকজন অস্থির হয়ে উঠছিল।
বক্তাগণ স্টেজে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগ, কর্ম আর অর্জনের ইতিহাসগুলো উল্লেখ করছিলেন।
আমার আশেপাশের লোকেরা তখন বলছিলেন, ‘এইসব ইতিহাস তো আমরা সকলেই জানি। জানাজায় আসা লোকজন বেগম জিয়াকে চিনে, তার ত্যাগের ইতিহাস জানে বলেই তো তারা দলে দলে জানাজায় এসেছে। এসব নতুন করে বলার তো কিছু নেই।’
অনেকে সায় দিলেন। আজকে শৈত্যপ্রবাহও সেভাবে ছিল না৷ দুপুর নাগাদ বেশ ঝলমলে রোদ ছিল আকাশে। ফলে গরমও লাগছিল ভালো রকম। তাই লোকজনের এই অধৈর্য হয়ে উঠা কিছুটা স্বাভা