বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে পুলিশের জন্য গাড়ি কিনছে সরকার দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠলো ইরানের কেশম দ্বীপ আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সীমান্তে প্রতিবাদী সমাবেশ ও শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক ১১ দলের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার

খোলামেলা পোশাক পরা নারীদেরকে খোলা কমলার সঙ্গে তুলনা করলেন ফুড ভ্লগার হাবিবা আপ্পি!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের মতামত তুলে ধরে আলোচনায় এসেছেন জনপ্রিয় ফুড ব্লগার হাবিবা আপ্পি। নারীর পোশাক ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দেওয়া তার মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

একটি ভিডিওতে হাবিবা আপ্পি বলেন, “একজন মেয়ে নিজে যতটুকু খুলে রাখতে পারে, মানুষ তাকে ততটাই স্মার্ট ভাবে। কিন্তু মেয়েরা এটা বুঝে না যে, যতটুকু খোলামেলা থাকে, ততটা স্মার্ট নয়, বরং সহজলভ্য হয়ে পড়ে।”

নিজের বক্তব্যে তিনি একটি উপমার মাধ্যমে নারী সম্পর্কে বলেন, “আপনি রাস্তার সাইডে দেখবেন, একজন কমলা বিক্রেতা কমলা বিক্রি করছে, একটা কমলা সুন্দর করে রাখা আছে আরেকটা খোলা রাখা আছে, আপনি কিন্ত দেখবেন ওই কমলার ভিতর অনেক মাছি আছে, কারণ ওই কমলাটার ভিতর অনেক রস, আর যে কমলাটা ঢেকে রাখা আছে সেটায় দেখবেন কোন মাছি নেই। মাছিদের কাজ খোলা কমলার রস খাওয়া। খোলা কমলার বুঝতে হবে আমি পচে যাচ্ছি, আর ভালো কমলা মানুষ কিনে নেয়। মেয়েদেরকে এটাই বুঝতে হবে, সমাজে খোলা কমলার হওয়ার চেয়ে, একটা পরিপক্ব কমলা হিসেবে থাকাই ভালো।”

তিনি আরও বলেন, “একটা মেয়ে যখন তার লজ্জাস্থান ঢেকে রাখতে না পারবে, সেটা যখন খোলামেলা রাখবে তখন মানুষ সেটা দেখবে। যখন একটা মেয়ে অর্ধ উলঙ্গ হয়ে রাস্তায় যাচ্ছে তখন শুধু ছেলেরা না, সব মানুষই দেখে। মেয়ে যখন তাকায় ছেলেরা কেন তাকাবে না।” 

ধর্ষণের প্রসঙ্গ টেনে হাবিবা আপ্পি বলেন, “প্রশ্ন আসতে পারে পুরুষরা কেন নিজের নজর হেফাজত করে না, চোখ দিয়েছেই আল্লাহ দেখার জন্য। কেউ কন্ট্রোল করতে পারে, কেউ পারে না। মেয়ে কিন্ত ধর্ষণ করতে যাবে না, ছেলেরাই ধর্ষণ করতে যাবে। ধর্ষণ হলে ছেলেদেরই দোষ হয়, কখনো মেয়েরা এই চিন্তা করি না যে, আমরা আমাদের লজ্জাস্থান কেন ঢেকে রাখতে পারি না।” 

তিনি বলেন, আমরা মেয়েরা খুলে না দিলে ছেলেরা কখনোই দেখবে না। আমরা মেয়েরা খুলে দিলেই তো ছেলেরা দেখবে। আমরা রাস্তায় অর্ধ উলঙ্গভাবে চলতেছি, ড্রেসাপ ঠিক রাখতেছি না। যখন একজন পুরুষ আমাদের দেখবে সেটা পুরুষের দোষ না, মেয়েদের দোষ। এটা আমাদের মেনে নিতে হবে।

তার এই বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ একে বাস্তবধর্মী বলে প্রশংসা করেছেন, আবার অনেকেই একে নারীর পোশাক স্বাধীনতার প্রতি সরাসরি হস্তক্ষেপ বলেও সমালোচনা করছেন।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ