রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
পুকুরে ডুবে একই পরিবারের প্রাণ গেল ৩ জনের  মুফতী জুবাইর আহমাদের ‘ইসলামের বিশুদ্ধ আকীদা ও বিদআতের অসারতা’ বাজারে ‘কাফের-মুরতাদ ফতোয়া অত্যন্ত স্পর্শকাতর, সতর্কতা কাম্য’ নোয়াখালীর বিশিষ্ট আলেম মাওলানা মুশাররফ হোসাইনের ইন্তেকাল বদরের মহাযুদ্ধ—ঈমানের প্রথম বিজয় রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে রাজনৈতিক সমাধানের বিকল্প নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ ইশতেহার বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য খাতের শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার তোমার মুগ্ধ মায়ায়

স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে না: সৌদি যুবরাজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ছবি: রয়টার্স

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বলেছেন, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে না সৌদি আরব। ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের দখলদারিত্বের অপরাধেরও সমালোচনা করেন তিনি।

সালমান বলেন, “পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার নিরলস প্রচেষ্টা সৌদি আরব বন্ধ করবে না। আর আমরা এও অঙ্গীকার করছি যে, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে কোনও কূটনৈতিক সম্পর্ক সৌদি আরব স্থাপন করবে না।”

বুধবার শুরা কাউন্সিলে দেওয়া ভাষণে যুবরাজ একথা বলেন। বাবা বাদশাহ সালমানের পক্ষ থেকে কাউন্সিলে বার্ষিক এই বক্তব্য রাখেন তিনি। যুবরাজের ভাষণের আগে তার সামনে শপথ গ্রহণ করেন শুরা কাউন্সিলের সদস্যরা।

যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে সৌদি আরবের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল তা গতবছর অক্টোবরে গাজার হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে থমকে গেছে বলে এ বছরের শুরুর দিকে জানিয়েছিলেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই সূত্র।

আর এখন সৌদি যুবরাজ যা বললেন, তাতে এমনই আভাসই পাওয়া যাচ্ছে যে, ইসরায়েল যুদ্ধ অবসান না করা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ওই উদ্যোগ ফলপ্রসূ হবে না।

অথচ গাজায় যুদ্ধ শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগে যুবরাজ সালমান জানিয়েছিলেন, ইসরায়েল-সৌদি আরব একটি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই দুই সূত্র বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরবের স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের আলোচনায় কিছুটা দেরি হবে। রিয়াদের জন্য এ আলোচনার সবচেয়ে লাভজনক দিক হিসাবে যা দেখা হয়ে থাকে তা হচ্ছে, এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের একটি প্রতিরক্ষা চুক্তির দ্বার খুলে যেতে পারে।

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ