মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ।। ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
টুথপেস্টে বিষ, ফিরুন সুন্নতি মিসওয়াকে! শরীয়তপুরে বড়াইল মাদরাসার ইসলাহি মাহফিল সম্পন্ন মাদরাসাবিরোধী একপাক্ষিক প্রচারণা বন্ধ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান ইসলামী ঐক্যজোটের সাবেক এমপি গোলাম সরোয়ার হিরুর ইন্তেকাল  ‘পালাবো না বলেও যে পালায়, সে আসি আসি করেও আসবে না’ ইরান যুদ্ধের পর প্রথমবার ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে নেতানিয়াহু আজ বঙ্গভবনে অফিস করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি নির্বাচেন: ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক আজ ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না হলে মিলবে না রেজিস্ট্রেশন লোহিত সাগরের নিয়ন্ত্রণ চায় হুতিরা: ইয়েমেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করবেন না বদরুদ্দীন উমর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

লেখক, বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিক বদরুদ্দীন উমরসহ আট বিশিষ্টজনকে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছে সরকার। তবে এই পুরস্কার নেবেন না বলে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন বদরুদ্দীন উমর।

পুরস্কার না নেওয়া সংক্রান্ত বিবৃতিটি বৃহস্পতিবার (০৬ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠিয়েছেন তার দল জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সম্পাদক ফয়জুল হাকিম। বদরুদ্দীন উমর জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সভাপতি।  

বিবৃতিতে বদরুদ্দীন উমর বলেন, ‘১৯৭৩ সাল থেকে আমাকে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা থেকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। আমি সেগুলোর কোনোটি গ্রহণ করিনি। এখন বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আমাকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা করেছে। এ জন্য তাদের ধন্যবাদ। কিন্তু তাদের দেওয়া এই পুরস্কারও গ্রহণ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এই প্রেস বিবৃতির মাধ্যমে আমি এটা জানিয়ে দিচ্ছি। ’

আগামী সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারের জন্য মনোনীত ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করা হবে। পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে লেখক ও বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দীন উমর ছাড়াও রয়েছেন—মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী, বিজ্ঞানী অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম, ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ, কবি আল মাহমুদ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের অন্যতম নকশাকার নভেরা আহমেদ, পপসম্রাট আজম খান ও আবরার ফাহাদ।

বদরুদ্দীন উমর ছাড়া বাকি সবাই মরণোত্তর হিসেবে এই পুরস্কার পাচ্ছেন। এদের মধ্যে আবরার ফাহাদ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০১৯ সালের অক্টোবরে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নির্যাতনে তিনি মারা যান।

১৯৭৭ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার দিয়ে আসছে। স্বাধীনতা পুরস্কারের ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে পাঁচ লাখ টাকা, স্বর্ণপদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ