রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

অবৈধ বাংলাদেশি-রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো হবে: অমিত শাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি ও তার আশপাশের এলাকায় যেসব বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা অবৈধভাবে বসবাস করছেন, তাদেরকে দ্রুত নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দিল্লি পুলিশকে এ সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে দিল্লি পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন অমিত। সেখানে উপস্থিত ছিলেন— এমন একজন কর্মকর্তা ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে বলেন, বৈঠকে রাজধানী নয়াদিল্লি সহ দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় বসবাসরত অবৈধ বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে জানতে চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।  

এনডিটিভিকে ওই কর্মকর্তা বলেন, “আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছি, দিল্লির যেসব কলোনিতে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গারা বসবাস করেন, সেগুলো নিরীক্ষা করা হচ্ছে। যারা ভুয়া নথিপত্র কিংবা কোনো নথি ছাড়াই বসবাস করছেন, তাদের শনাক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে।”

‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে হালনাগাদ তথ্য জানানোর পর তিনি বলেছেন, অবৈধ অভিবাসী ও অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি। এ ব্যাপারে আমাদের সবার কঠোর অবস্থান নিতে হবে। অবৈধ অভিবাসীদের অবশ্যই যত দ্রুত সম্ভব শনাক্ত করে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।’

যাদের সহযোগিতা এবং আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এই নথিবিহীন বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গারা দিল্লিতে বসবাস করছেন, তাদেরকেও আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তাদের তিনি বলেন, “এটা একটা বড় নেটওয়ার্ক। যে কোনো মূল্যে এই নেটওয়ার্ক ধ্বংস করতে হবে, অপরাধীদের আইনের আইনের আওতায় আনতে হবে এবং এজন্য অভিযানে যতখানি কঠোরতা আনা প্রয়োজন— আনতে হবে।”

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ