রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’: মিশরের গ্র্যান্ড মুফতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

 গাজায় ইসরাইলের চলমান গণহত্যার প্রেক্ষাপটে কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক মুসলিম আলেম সংগঠন (আইইউএমএস) যে ফতোয়া দিয়ে ইসরাইলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদে নামার আহ্বান জানিয়েছে, তাকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ ও শরিয়ার নীতিমালার লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছেন মিশরের গ্র্যান্ড মুফতি শেইখ নজির আয়াদ।


আইইউএমএস-এর দেয়া ফতোয়ায় বলা হয়, প্রতিটি ‘সক্ষম মুসলমানের’ ওপর ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা ধর্মীয় দায়িত্ব এবং মুসলিম দেশগুলোর উচিত অবিলম্বে সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক হস্তক্ষেপ করে এই গণহত্যা বন্ধ করা। একইসঙ্গে ইসরাইলের ওপর পূর্ণ অবরোধ আরোপেরও আহ্বান জানানো হয়।


সংগঠনের মহাসচিব আলি আল-কারাদাগি বলেন, ‘গাজা যখন ধ্বংসের মুখে, তখন আরব ও মুসলিম সরকারগুলোর ব্যর্থতা ইসলামি আইনের দৃষ্টিতে নিপীড়িত ফিলিস্তিনিদের প্রতি একটি গুরুতর অপরাধ।’
তবে এই আহ্বানের কড়া সমালোচনা করেন শেইখ আয়াদ।  মিডলইস্ট আইকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল বিষয়ে কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা বেসরকারি সংগঠনের পক্ষ থেকে ফতোয়া দেওয়া শরিয়ার মূলনীতি ও উচ্চতর উদ্দেশ্যের পরিপন্থি।’


তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের পদক্ষেপ সমাজের নিরাপত্তা ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ হতে পারে। ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহমর্মিতা অবশ্যই তাদের প্রকৃত স্বার্থে হতে হবে, এমন কোনো বেপরোয়া কর্মসূচির অংশ নয়, যা আরও ধ্বংস ডেকে আনবে।’


গ্র্যান্ড মুফতি জোর দিয়ে বলেন, জিহাদের ঘোষণা দেওয়ার এখতিয়ার শুধুমাত্র বৈধ রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের।  ‘একটি জাতির সামর্থ্য, রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনা না করে জিহাদের ডাক দেওয়া নিঃসন্দেহে এক দায়িত্বজ্ঞানহীন পদক্ষেপ।’


এদিকে কায়রোতে অবস্থিত সালাফি পণ্ডিত ইয়াসির বুরহামিও আইইউএমএস-এর ফতোয়ার বিরোধিতা করেছেন। তিনি মিশর ও ইসরাইলের মধ্যে ১৯৭৯ সালের শান্তিচুক্তির কথা উল্লেখ করে এই ধরনের ফতোয়াকে অগ্রহণযোগ্য ও বাস্তবতাবিবর্জিত বলেছেন।

এনএইচ/

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ