রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

ওয়াকফ বিলের প্রতিবাদে জমিয়তের আন্দোলনে অচল কলকাতা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ভারতে সম্প্রতি পাস হওয়া ওয়াকফ আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে নানা শহরে। এরই ধারাবাহিকতায় পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা কার্যত পরিণত হয়েছে মিছিলের নগরীতে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ওয়াকফ আইনের বিরোধিতা করে বৃহস্পতিবার বিশাল সমাবেশ করেছে উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অবদান রাখা প্রভাবশালী ধর্মীয় সংগঠন জমিয়ত উলামায়ে হিন্দ।  

রাজ্য সভাপতি সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে কলকাতার রামলীলা ময়দানে জমিয়তের সমাবেশে ঢল নেমেছে লাখো জনতার। যার জেরে প্রায় অচল হয়ে পড়েছে মহানগরী কলকাতার ব্যস্ততম এলাকাগুলো।

বৃহস্পতিবার প্রথম প্রহর থেকেই পার্ক সার্কাস, মৌলালি, লেনিন সরণি, মা ফ্লাইওভার ও এজেসি বোস রোডে সৃষ্টি হয় ভয়াবহ যানজট। বিশেষ করে ধর্মতলা চত্বর থেকে রামলীলা ময়দান পর্যন্ত বিশাল মিছিল ও লোকজনের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে শহরের কেন্দ্রস্থল একপ্রকার স্থবির হয়ে যায়।


প্রতিবাদকারীদের দাবি, নতুন ওয়াকফ আইন সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি অধিকার খর্ব করবে এবং এতে মুসলিমদের বহু প্রতিষ্ঠান ও সম্পদ চরম হুমকির মুখে পড়বে। এই আশঙ্কা থেকেই রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ মিছিল করে এসে জড়ো হন সমাবেশস্থলে।

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে ভারতের পার্লামেন্ট উত্তপ্ত তর্কবিতর্কের পর মুসলিম ওয়াকফ (সংশোধনী) বিলটি পাস হয় এবং ৫ এপ্রিল শনিবার দেশটির রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বিলটিতে সম্মতি দেওয়ায় এটি এখন ভারতের একটি আইনে পরিণত হয়েছে।

তবে এই বিলটিকে চ্যালেঞ্জ করে অন্তত চারটি পিটিশন সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করা হয় যেগুলো করেছেন এআইএমআইএম, কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি বা আরজেডি-র মতো দলের নেতারা এবং অন্তত একটি সিভিল রাইটস গোষ্ঠী।

এছাড়া মণিপুর, গুজরাত, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক ও কলকাতাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে।

অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড ভারতজুড়ে বিভিন্ন শহরে এই আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের আয়োজন করছে।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ