বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
আন্দোলনের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা, অনুপস্থিত ২০ হাজারের বেশি মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি থেকে সরে এসে, শিক্ষার্থীদের ছয় দফা ঢাকায় ‘ইমাম শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী (রহ.) রিসার্চ ইনস্টিটিউট’-এর যাত্রা বন্যা দুর্গতদের দ্রুত পুনর্বাসনের আহ্বান খেলাফত মজলিসের ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ আমিরে মজলিসের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তার সৌজন্য সাক্ষাৎ সাইয়েদ আসজাদ মাদানীর সফর উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা আজাদ কাশ্মিরে দুপক্ষের সংঘাত, ২ পুলিশসহ নিহত ৯ বন্যাপরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, খুলে যাচ্ছে বান্দরবানের পর্যটনকেন্দ্র কুয়েত-বাহরাইনে ইরানের হামলা, বাজছে সাইরেন

যুদ্ধবিরতির পর খামেনির প্রথম বার্তা, বিজয়ের ঘোষণা


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে বার্তা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জায়নবাদী শাসনের বিরুদ্ধে বিজয়ের ঘোষণা দেন।

আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ওই পোস্টে খামেনি ইসরায়েলের উদ্দেশে বলেন, "ভ্রান্ত ইহুদিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে বিজয়ের জন্য অভিনন্দন।"

এদিকে, আলজাজিরা জানিয়েছে, খুব শিগগিরই তিনি জাতির উদ্দেশে ভিডিও বার্তা দেবেন।

এর আগে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর আসে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে খামেনি তেহরানে তার নিয়মিত বাসভবনে না থেকে নিরাপদ বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ইলেক্ট্রনিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিলেন, এমনকি শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারাও তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি।

বিবিসি বলছে, দীর্ঘ এই যুদ্ধ ইরানের ভেতরের চিত্র বদলে দিয়েছে। ফলে যুদ্ধবিরতির পর খামেনি যখন প্রকাশ্যে আসবেন, তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত, ক্ষতবিক্ষত ও ক্ষুব্ধ এক ইরান দেখবেন।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কাতারের আমিরের মধ্যস্থতায় ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি হয়েছে। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু খামেনিকে হত্যার সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যদিও খামেনি প্রকাশ্যে বিজয়ের দাবি করতে পারেন, বাস্তবতা হলো যুদ্ধের পর ইরানের সামরিক অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়েছে। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) বহু শীর্ষ কমান্ডার নিহত হয়েছেন। ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অর্থনৈতিক দিক থেকেও দেশটি বিপর্যস্ত। বহু বছর ধরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞায় জর্জরিত ইরানের অর্থনীতি একেবারে ভেঙে পড়েছে।

অনেক ইরানি মনে করছেন, ইসরায়েল ধ্বংসের আদর্শিক নীতির কারণে এবং পরমাণু অস্ত্র অর্জনের মাধ্যমে শাসনকে অজেয় করার খামেনির প্রচেষ্টা আজ ইরানকে এই সংকটের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং স্কলার লিনা খাতিব মনে করেন, এই যুদ্ধের পর ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতনের সূচনা হয়েছে। তিনি বলেন, "খামেনি সম্ভবত ইসলামী প্রজাতন্ত্রের শেষ 'সর্বোচ্চ নেতা' হতে যাচ্ছেন।"

এসএকে/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ