শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বিশ্বের সেরা ও সবচেয়ে মধুর তেল যুক্তরাষ্ট্রের, দাবি ট্রাম্পের ইরানের জব্দ করা সম্পদ ফেরত দিতে অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্মীপুরে অটোচালক হত্যায় গ্রেফতার ৩ যুবক  অবশেষে ইসলামাবাদে আলোচনার টেবিলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ‘অন্যায়-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিলে পার্লামেন্টে মারামারি শুরু হবে’ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা অধিবেশন অনুষ্ঠিত হামলায় বিকৃত হয়ে গেছে মোজতবা খামেনির মুখমণ্ডল! হাজিদের সেবায় সুনাম কুড়াচ্ছে আল-মিনহাজ হজ ট্রাভেলস পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে?

‘আমি এখানে আর পড়ব না’: ভারতের স্কুলে হিজাব খুলতে বাধ্য এক ছাত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ভারতের পল্লুরুথির সেন্ট রিটা’স পাবলিক স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, হিজাব তাদের ‘ড্রেস কোড’-এর পরিপন্থী। সেই কারণে ছাত্রীটিকে হিজাব খুলতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

আর ভুক্তভোগী ছাত্রী জানান, ‘এই স্কুল আমাকে হিজাব পরতে দিচ্ছে না। তারা আমাকে প্রবেশপথে (শ্রেণিকক্ষের) দাঁড় করিয়ে হিজাব খুলে ফেলতে বলেছে। শিক্ষকরা খারাপ আচরণ করেছেন। আমি এখানে পড়ব না।’
 
এনডিটিভি জানিয়েছে, ওই ঘটনায় অভিভাবকদের সঙ্গে কর্তৃপক্ষের বিবাদ শুরু হয় এবং পরে অভিভাবক-শিক্ষক সমিতিও (পিটিএ) এতে জড়িয়ে পড়ে।
 
পিটিএ সভাপতি জোশি কাইথাভালাপিল এনডিটিভির কাছে দাবি করেন, হিজাব পরা এক ছাত্রী ‘খ্রিস্টান-পরিচালিত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর পরিকল্পিত আক্রমণের’ সূচনা করে।
 
তিনি আরও দাবি করেন, ওই ছাত্রীর বাবা-মা সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি অব ইন্ডিয়ার (এসডিপিআই) সমর্থক– একটি রাজনৈতিক দল যাদের ইসলামপন্থি হিসেবে দেখা হয় এবং বর্তমানে ‘নিষিদ্ধ’ পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়ার সাথে যুক্ত। 
 
কাইথাভালাপিল এনডিটিভিকে বলেন, ‘এসডিপিআই কর্মীরা এর পেছনে আছে। তাদের দলের সদস্যরা এটি কার্যকর করতে এসেছিলেন... (এবং) তারা অভিভাবকদের চেয়ে স্কুলের ওপর বেশি চাপ সৃষ্টি করেন।’
 
প্রতিবেদন অনুসারে, গত ৭ অক্টোবর ওই ছাত্রীকে প্রথমবারের মতো হিজাব পরা অবস্থায় থামানোর পর বিতর্কটি তীব্র আকার ধারণ করে। ৩ দিন পর তাকে আবার থামানো হয়। এরপরই তার বাবা এবং আরও কয়েকজন স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিবাদে জড়ায়।
 
ওই শিক্ষার্থীর বাবা জানান, তার মেয়ে চার মাস ধরে কোনো সমস্যা ছাড়াই হিজাব পরে আসছিল, যদিও হিজাব সাধারণত যেভাবে পরা হয় (পিন করে) সেভাবে নয়। সে হিজাবটি তার মাথার ওপর শালের মতো ব্যবহার করতো।
 
তবে স্কুলের অধ্যক্ষ সিস্টার হেলেনাকে উদ্ধৃত করে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভর্তির সময় সব অভিভাবককে ‘ড্রেস কোড’ সম্পর্কে বলা হয়েছিল। ওই ছাত্রী ‘চার মাস ধরে স্কুলের ড্রেস কোড অনুসরণ করেছে... কিন্তু, একদিন হঠাৎ সে কোডটি লঙ্ঘন করে (হিজাব পরে)।’
 
সূত্র: এনডিটিভি

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ