শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
হাজিদের সেবায় সুনাম কুড়াচ্ছে আল-মিনহাজ হজ ট্রাভেলস পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ৯৭ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গাজা উপত্যকায় কার্যকর যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী হামলা চালিয়ে অন্তত ৯৭ ফিলিস্তিনিকে হত্যা ও ২৩০ জন আহত করেছে বলে জানিয়েছে গাজা সরকার। রোববার (১৯ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর ইসরায়েল কর্তৃক ২১টি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে।

খবর আনাদোলু এজেন্সির।
গাজা সরকারের মিডিয়া উইং এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী ৮০টি প্রমাণিত লঙ্ঘন করেছে। সবগুলোই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের চরম লঙ্ঘন।

এসবের মধ্যে ছিল বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে গুলি, গোলাবর্ষণ, ইচ্ছাকৃত টার্গেট হামলা, ‘আগুনের বেল্ট’ তৈরি এবং সাধারণ মানুষকে আটক করা।

গাজা সরকারের দাবি, এসব হামলায় ইসরায়েলি বাহিনী ব্যবহার করেছে সাঁজোয়া যান, আবাসিক এলাকার প্রান্তে অবস্থানরত ট্যাংক, দূরনিয়ন্ত্রিত টার্গেটিং সিস্টেমসমৃদ্ধ ইলেকট্রনিক ক্রেন, যুদ্ধবিমান এবং কোয়াডকপ্টার ড্রোন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গাজা উপত্যকার সব জেলাতেই এসব হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা প্রমাণ করে দখলদার বাহিনী যুদ্ধবিরতি মানছে না বরং আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে হত্যাযজ্ঞ ও সন্ত্রাসের নীতি চালিয়ে যাচ্ছে।

গাজা সরকার ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে এসব লঙ্ঘনের জন্য সম্পূর্ণভাবে দায়ী করেছে এবং জাতিসংঘ ও যুদ্ধবিরতি চুক্তির গ্যারান্টর দেশগুলোকে দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পরিকল্পনার ভিত্তিতে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি গত ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, পারস্পরিক বন্দি বিনিময়, অবিলম্বে মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি এবং হামাসের নিরস্ত্রীকরণের শর্ত রাখা হয়েছে।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ