শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

দ্বিতীয় বিয়ে করলেই সাত বছরের দণ্ড, আসামে মন্ত্রিসভায় বিল পাস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বহুবিবাহ প্রতিরোধ করার বিল অনুমোদন দিয়েছে ভারতের আসাম রাজ্যের মন্ত্রিসভা। এই বিলে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় তৃতীয় বিয়ে করলেই সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড। এছাড়া স্বামীর বহুবিবাহের কারণে যেসব নারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের জন্য বিশেষ তহবিল গঠনের প্রস্তাবও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। 

রবিবার রাজ্যটির মন্ত্রিসভা বিলটির খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, চলতি মাসের ২৫ তারিখ এই বিল উত্থাপন করা হবে বিধানসভায়। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বহুবিবাহ নিষিদ্ধ করা এই বিল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা সরকারের জন্য একটি মাইলস্টোন হতে চলেছে, এমনটাই জানিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। 

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে আসামের মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিলটি পাস হলে বহুবিবাহকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এই বিল পাস হওয়ার পর আসামে কেউ দ্বিতীয় বা তৃতীয়বার বিয়ে করলে তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হবে।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে। এ আইনে গ্রেফতার হলে সঙ্গে সঙ্গে জামিন পাওয়ার সুযোগও থাকবে না। 

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বিলটির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বহুবিবাহের শিকার নারীদের আর্থিক সহায়তার জন্য বিশেষ তহবিল গঠন করা। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণে স্বামী কারাবন্দি হলে ভুক্তভোগী প্রথম স্ত্রীর কী হবে? অনেক সময় দেখা যায়, দ্বিতীয় বিয়ের পর প্রথম স্ত্রীকে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়। আমাদের লক্ষ্য কোনও নারী যাতে আর্থিক বা সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন। তাই ক্ষতিপূরণের জন্য আলাদা তহবিল গঠন করা হবে।

তবে প্রস্তাবিত নতুন এই আইনের আওতার বাইরে থাকবে উপজাতি জনগোষ্ঠী। আসাম সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, উপজাতিদের নিজস্ব সামাজিক প্রথা ও আইন অনুসারে ষষ্ঠ তফসিলভুক্ত এলাকা, বিটিসি, কার্বিআংলং ও ডিমা হাসাও জেলায় এ আইন কার্যকর হবে না।

উল্লেখ্য, আগামী বছর আসামে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এই বিল আইনে পরিণত হলে হিমন্ত বাড়তি সুবিধা পাবেন বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। 

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে, হিন্দুস্তান টাইমস

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ