শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২২ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে আলোচনায় বসবে না তেহরান, ইরানের বার্তা দুর্নীতি ও লাগামহীন লুটপাটের কারণে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী শোনো হে নবীন! তোমাকেই বলছি ... প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিমের তালিকায় দ্বিতীয় মুফতি তাকী উসমানী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকছে না দলীয় প্রতীক, সংসদে বিল পাস এলএনজি-এলপিজি নিয়ে দেশের পথে ৫টি জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে ফি-গ্রহণ বন্ধের তাগাদা ট্রাম্পের ‘কওমিতে একাধিক কিতাব দরসভুক্ত করা ছাড়া সিরাতের ঘাটতি পূরণ সম্ভব নয়’ হরমুজ প্রণালি হয়ে জাহাজ চলাচলের সংখ্যা নির্ধারণ করল ইরান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: ঝুঁকির মুখে যুদ্ধবিরতি, বিশ্বের দৃষ্টি এখন ইসলামাবাদে

গাজা পুনর্গঠনে কাতারের ১০০ কোটি ডলার অনুদান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গাজা পুনর্গঠন ও মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নবগঠিত ‘শান্তি পর্ষদে’ ১০০ কোটি (১ বিলিয়ন) ডলার অনুদানের ঘোষণা দিয়েছে কাতার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত এই পর্ষদের প্রথম বৈঠকেই বিশাল অঙ্কের এই সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেয় দেশটি।

ওয়াশিংটনে ইউনাইটেড স্টেটস ইনস্টিটিউট অব পিসে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জাসিম আল থানি এই ঘোষণা দেন। বৈঠকে তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে কাতার দীর্ঘ সময় ধরে যে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে আসছে, এই অনুদান তারই অংশ।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন এই পর্ষদ তাদের ঘোষিত ২০ দফা পরিকল্পনা দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করবে। তিনি বলেন, ‘এই পর্ষদ এমনভাবে কাজ করবে যাতে ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি—উভয় পক্ষের জন্যই ন্যায়বিচার ও সমতা নিশ্চিত হয়।’

শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আরও উল্লেখ করেন, কাতার চায় একটি চূড়ান্ত সমাধান, যেখানে ফিলিস্তিনিদের স্বাধীন রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে এবং একই সঙ্গে ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হবে।

উল্লেখ্য, গত ১০ জানুয়ারি গাজা যুদ্ধ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে এই ‘শান্তি পর্ষদ’ গঠনের ঘোষণা দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরবর্তীতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ২৮০৩ নম্বর প্রস্তাবের মাধ্যমে যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার ব্যবস্থাপনা কাঠামো অনুমোদিত হয়।

এই শান্তি পর্ষদের মূল দায়িত্বগুলোর মধ্যে রয়েছে—গাজার অন্তর্বর্তীকালীন পরিস্থিতি তদারকি, যুদ্ধ-বিধ্বস্ত অঞ্চলটির পুনর্গঠন, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তার সমন্বয় এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনে সহায়তা করা। এছাড়া পুরো অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ফিরিয়ে আনতে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়াও এই পরিষদের অন্যতম লক্ষ্য।

সূত্র: আলজাজিরা


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ