শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

সাজদায়ে সাহুর সঠিক পদ্ধতি কী? 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি যুবাইর মাহমুদ রাহমানি 

প্রশ্ন : সাজদায়ে সাহুর মূল পদ্ধতি কী? একভাই বলেছেন, তাশাহহুদ, দুরুদ, দুআয়ে মাসুরা সবকিছু পড়ে তারপর সাজদায়ে সাহু করতে হবে। আসলে বিষয়টা কী? খোলাসা করে বললে খুবই উপকৃত হতাম। 

উত্তর : ইমাম আজম আবু হানিফা রহ.-এর মতে সাজদায়ে সাহুর হাকিকত হচ্ছে, তাশাহহুদ, দুরুদ শরিফ এবং দুআয়ে মাসুরা পড়ে ডানদিকে এক সালাম ফেরাবে। অতঃপর সাহুর (ভুলের) জন্যে দুটি সাজদা করবে। তারপর শুধু তাশাহহুদ পড়ে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করবে। 

উল্লেখ্য, আমরা জামাতের নামাজে যে শুধু তাশাহহুদ পড়ে একদিকে সালাম ফিরাই। তারপর সাহু সাজদা করি। অতঃপর তাশাহহুদ, দুরুদ এবং দুআয়ে মাসুরা পড়ে নামাজ শেষ করি— এটি আসলে মূলত তরিকা নয়।  এ পদ্ধতিটি শুধু জামাতের নামাজে গ্রহণ করা হয়েছে, মাসবুককে এ কথা বোঝানোর জন্য যে, এটি হচ্ছে ইমার্জেন্সি সালাম। সুতরাং দাঁড়ানোর জন্য তাড়াহুড়ো করা যাবে না। অন্যথায় আসল পদ্ধতি উপরেরটিই। একাকী নামাজে সাহু সাজদা সেভাবেই করা উচিত। সুত্র: তুহফাতুল আলমায়ি ২/২১৯

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ