সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বালিশের পাশে ফোন রেখে ঘুমান? জেনে নিন যেসব ঝুঁকি রয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ে হাতপাখার প্রচার রিকশা ভাঙচুর, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি দিল্লির রেসকোর্স মসজিদ ও কবরস্থান রক্ষার দাবি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ‘সমাজে নৈতিকতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইমামদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’ ‘মাওলানা হাবীবুর রহমানের ভূমিকা বাংলাদেশের ইসলামি আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে’ ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ বাচ্চাদের দুষ্টুমি কমাতে কোরআন-হাদিসের আমল ও করণীয় সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির একজন শ্রমিক, অন্যজন ওমরাহ যাত্রী  গাজায় খাদ্যসংকটে ১৪ লাখ ফিলিস্তিনি, সহায়তা কমাচ্ছে ডব্লিউএফপি  এবার চট্টগ্রাম বিভাগের ইমাম-খতিবদের জন্য আস-সুন্নাহর বিশেষ প্রশিক্ষণ

আজও অপেক্ষা করি নামাজ শেষে জিহাদ মসজিদ থেকে ফিরবে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

প্রতিবার নামাজের সময় হলেই নিজের অজান্তেই দরজার পাশে দাঁড়িয়ে পড়েন কুহিনুর বেগম। আজও তার মনে হয়, নামাজ শেষে মসজিদ থেকে ফিরে ছেলেটা দরজায় কড়া নাড়বে। ১৭ বছরের মো. জিহাদ হাসান কুহিনুর বেগমের তিন সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয়। নিয়মিত মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ত। কিন্তু গত ৫ আগস্ট, দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনের পতনের পর বিজয় মিছিলে যোগ দিতে গিয়ে যাত্রাবাড়ী থানা ভবনের সামনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হয়। তবু মা কুহিনুর বেগমের এখনও মনে হয়, ছেলেটা যেন তার আশপাশেই আছে।

তিনি বলেন, ‘আমি এখনও আমার ছেলের উপস্থিতি অনুভব করি। ও নামাজ পড়ত অনেক মনোযোগ দিয়ে, সময় নিয়ে। এখনও মনে হয়, সে আমার সামনেই নামাজ পড়ছে। ‘মনে হয়, ছেলে ফিরে আসবে। তাই আগের মতোই দরজার পাশে দাঁড়িয়ে থাকি। কোথাও যেতে পারি না, এই ভেবে যে, ও আসবে।

’ মধ্য চল্লিশের এই মা অনন্ত অপেক্ষা আর গভীর শোক নিয়ে এসব কথ বলেন। মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী জিহাদের মা কুহিনুর বেগম কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘ছেলেটার কথা বললেই বুকটা ধুক করে ওঠে।’