শেখ হাসিনা সরকারের পতনের আগের দিন ৪ আগস্ট রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বর এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন আব্দুল্লাহ কবির। নিজের একমাত্র ছেলেকে হাফেজে কোরআন বানানোর ইচ্ছে ছিল তার। সে ইচ্ছা পূরণ হওয়ার আগেই পরপারে চলে গেলেন তিনি।
৪৫টি রাজনৈতিক মামলা মাথায় নিয়েও একেবারে শুরু থেকেই বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন আব্দুল্লাহ কবির। ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তার বিরুদ্ধে তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ১৫ বছরে এসব মামলা দায়ের হয়।
মামলার কারণে ১৫ বছর ধরে পলাতক জীবনযাপন করতে হয়েছে তাকে। নিজ বাড়িতে থাকতে না পেরে তাকে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে থেকে গোপনীয়তা রক্ষা করে জীবন যাপন করতে হয়েছে।সর্বশেষ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি ১১নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলেন বলে জানান তার ছোট ভাই রাজু।