বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
আন্দোলনের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা, অনুপস্থিত ২০ হাজারের বেশি মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি থেকে সরে এসে, শিক্ষার্থীদের ছয় দফা ঢাকায় ‘ইমাম শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী (রহ.) রিসার্চ ইনস্টিটিউট’-এর যাত্রা বন্যা দুর্গতদের দ্রুত পুনর্বাসনের আহ্বান খেলাফত মজলিসের ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ আমিরে মজলিসের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তার সৌজন্য সাক্ষাৎ সাইয়েদ আসজাদ মাদানীর সফর উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা আজাদ কাশ্মিরে দুপক্ষের সংঘাত, ২ পুলিশসহ নিহত ৯ বন্যাপরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, খুলে যাচ্ছে বান্দরবানের পর্যটনকেন্দ্র কুয়েত-বাহরাইনে ইরানের হামলা, বাজছে সাইরেন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত মাদরাসা শিক্ষার্থীদের তথ্য চেয়েছে অধিদপ্তর


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত মাদরাসা শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী ২০ আগস্টের মধ্যে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি মাদরাসাকে এ তথ্য নির্দিষ্ট ই-মেইলে পাঠাতে হবে।

রোববার (১৭ আগস্ট) অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখার উপপরিচালক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান মজুমদার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়, অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রতিটি মাদরাসা থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ (সরকারি গেজেট সংযুক্ত) ও আহত শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এজন্য শহীদ বা আহত শিক্ষার্থীর নাম, পিতার নাম, স্থায়ী ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, সংশ্লিষ্ট মাদরাসার নাম, প্রধানের নাম ও মোবাইল নম্বরসহ নির্ধারিত তথ্য addmin.dme24@gmail.com ঠিকানায় পাঠাতে হবে।

এ নির্দেশনা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ১২ আগস্টের এক স্মারকের আলোকে জারি করা হয়েছে।

এর আগে, ১১ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সেবা শাখা থেকে এক নির্দেশনায় দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল, কলেজ, কারিগরি ও মাদরাসাসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে শহীদ ও আহত শিক্ষার্থীদের বীরগাথা প্রবন্ধ আকারে পাঠাতে বলা হয়।

সে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়—জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা। শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগে দেশ নতুন সম্ভাবনার পথে যাত্রা শুরু করেছে। শহীদরা কেবল শিক্ষার্থী ছিলেন না, তারা ছিলেন গণতন্ত্রের সৈনিক ও পরিবর্তনের অগ্রদূত।

তাই প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে একটি কমিটি গঠন করে সর্বোচ্চ দুই পাতার প্রবন্ধ প্রস্তুত করতে হবে, যেখানে শহীদ ও আহতদের ছবি, তথ্য এবং প্রমাণ হিসেবে প্রকাশিত সংবাদ, সরকারি গেজেট বা অন্যান্য নথির স্ক্যান কপি সংযুক্ত করতে হবে। প্রবন্ধটি হার্ডকপির পাশাপাশি নিকস বাংলা ১৪ ফন্টে টাইপ করে সফটকপি পাঠাতে হবে apa@moedu.gov.bd ঠিকানায়।

এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানপ্রধান, জ্যেষ্ঠতম শিক্ষক এবং প্রবন্ধ-সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতির যৌথ স্বাক্ষরযুক্ত প্রত্যয়নপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এসএকে/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ