শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২২ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে আলোচনায় বসবে না তেহরান, ইরানের বার্তা দুর্নীতি ও লাগামহীন লুটপাটের কারণে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী শোনো হে নবীন! তোমাকেই বলছি ... প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিমের তালিকায় দ্বিতীয় মুফতি তাকী উসমানী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকছে না দলীয় প্রতীক, সংসদে বিল পাস এলএনজি-এলপিজি নিয়ে দেশের পথে ৫টি জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে ফি-গ্রহণ বন্ধের তাগাদা ট্রাম্পের ‘কওমিতে একাধিক কিতাব দরসভুক্ত করা ছাড়া সিরাতের ঘাটতি পূরণ সম্ভব নয়’ হরমুজ প্রণালি হয়ে জাহাজ চলাচলের সংখ্যা নির্ধারণ করল ইরান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: ঝুঁকির মুখে যুদ্ধবিরতি, বিশ্বের দৃষ্টি এখন ইসলামাবাদে

‘অপরাধের সাম্প্রতিক ব্যাপকতার পেছনে পরাজিত শক্তির রাজনীতি ক্রিয়াশীল'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমেদ বলেছেন, সাম্প্রতিক অপরাধের যে ব্যাপকতা দেখা যাচ্ছে তা পবিত্র রোজার মাসের স্বাভাবিক চরিত্র না। বাংলাদেশের মানুষ সাধারণত অপরাধ প্রবণ না এবং রোজার মাসে ঐতিহাসিকভাবেই তাকওয়ার প্রভাব দেখা যায় সমাজে। কিন্তু এখন যে ব্যাপকতা দেখা যাচ্ছে তা দেশকে অস্থিতিশীল করতে পরাজিত রাজনৈতিক শক্তির অপচেষ্টার অংশ। তারা দেশকে অস্থিতিশীল করে অভ্যুত্থান পরবর্তী সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণ করতে চাইছে। অভ্যত্থানকে দেশের জন্য অকল্যাণকর দেখাতে চাইছে। এই কারণে আইন-শৃংখলাবাহিনীকে সতর্কভূমিকা পালন করতে হবে এবং এর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে পুরানা পল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব মুফতী এছহাক মোহাম্মদ আবুল খায়ের, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, দফতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ, হাফেজ মাওলানা নূরুল করীম আকরাম, মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, অ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, মুফতী কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, শাহ ইফতেখার তারিক, ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান মুজাহিদ, জিএম রুহুল আমীন, মুফতী দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, অ্যাডভোকেট বরকত উল্লাহ লতিফ, মুফতি শেখ মুহাম্মদ নুরুন্নাবী, অধ্যাপক নাসির উদ্দিন খান, মুফতি মোস্তফা কামাল।

অধ্যক্ষ ইউনুস আহমেদ বলেন, ধর্ষণ একটি ফৌজদারী অপরাধ এবং সামাজিক অবক্ষয়ের প্রতিফল। ধর্ষকের শাস্তির ব্যাপারে ধর্ম-বর্ণ, মতাদর্শ নির্বিশেষে সকলে একমত। তারপরেও ধর্ষণের ইস্যু নিয়ে একদল নারী-পুরুষকে মুখোমুখি দাড় করিয়ে দেয়। মতাদর্শিক সংঘাত তৈরির অপচেষ্টা করেন। এতে করে সমাজে বিভক্তি তৈরি হয়। এটা না করে ঐক্যকে আরো দৃঢ় করতে হবে।

ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব গাজায় সৃষ্ট মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সভ্যতার এই উৎকর্ষের কালে বিশ্বের শতকোটি মানুষের চোখের সামনে যেভাবে লাখ লাখ গাজাবাসীকে এভাবে অনাহারে হত্যা করা হচ্ছে তা কল্পনা করা যায় না। বাংলাদেশ সরকারকে এর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কথা বলতে হবে। বিশ্বমুসলিমকে একত্রিত করার উদ্যোগ নিতে হবে।

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ