শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১০ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
চট্টগ্রামে বিএসটিআই ও র‌্যাবের যৌথ অভিযান: ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ‘সরকার বিদ্যুতের ট্যারিফ স্থিতিশীল রাখতে একাধিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে’  ‘নবীন কর্মকর্তারা মাঠমুখী হয়ে কাজ করলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে’ গণভোটের ফলাফলে সংশোধনী এনেছে ইসি  ‘সরকারি কর্মকর্তারা সঠিক সময়ে অফিসে না আসলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে’ জামালপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: জরিমানা ২০ হাজার  বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের কোনো স্থান নেই: নরেন্দ্র মোদী স্বাস্থখাতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী নতুন মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের বাসা বরাদ্দ চূড়ান্ত, কে কোথায় পেলেন রোজায় পানি শূণ্যতা পূরণ করবে যে ৫টি ফল

এবার নেপালে বন্ধ হলো টিকটক


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: ইন্টারনেট

২০২০ সালে ভারত এই চীনা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপটি বন্ধ করে দেয়। এবার নেপালও সেই পথে হাঁটলো।

সোমবার (১৩ নভেম্বর) বিবৃতি দিয়ে নেপালের সরকার জানিয়েছে, সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা করার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে তারা।

ক্যাবিনেট মন্ত্রী রেখা শর্মা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তারপরেই সমস্ত ইন্টারনেট প্রোভাইডারদের বলা হয়েছে দ্রুত অ্যাপটি ব্লক করে দেওয়ার জন্য। সোমবারের মধ্যেই প্রায় গোটা নেপালে টিকটক ব্লক করে দেওয়া হয়েছে।

রেখা জানিয়েছেন, টিকটকের মাধ্যমে সমাজে অশ্লীল ভিডিও এবং ছবি ছড়িয়ে পড়ছিল। সে কারণেই এই চরম পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপ নিয়ে অবশ্য সরকারের ভিতরে এবং বাইরে চরম সমালোচনা শুরু হয়েছে।

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ গ্যাওয়ালি বলেন, সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলিতেও এই ধরনের অশ্লীল ভিডিও এবং ছবি থাকে। সেগুলিকেও কি বন্ধ করে দেওয়া হবে? প্রদীপের বক্তব্য, বন্ধ করে নয়, সমাজিক মাধ্যমগুলির কনটেন্টে সরকারকে হস্তক্ষেপ করতে হবে। কোথায় কী যাচ্ছে তার উপর নজরদারি করতে হবে। কিন্তু কোনো অ্যাপ বন্ধ করে দেওয়া কখনোই কোনো সমাধান হতে পারে না।

নেপালি কংগ্রেসের নেতা গগন থাপা জানিয়েছেন, ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। এভাবে সমাজকে রক্ষা করা যাবে না।

২০২০ সালে লাদাখে চীনের সঙ্গে সংঘাত শুরু হওয়ার পর ভারত চীনের অ্যাপ টিকটক বন্ধ করে দিয়েছিল। ভারতের বক্তব্য ছিল, এই অ্যাপ ভারতের গোপন তথ্য বাইরে ফাঁস করে দিচ্ছে। ওই সময় ভারতে কয়েক কোটি টিকটক ব্যবহারকারী ছিলেন। নেপালেও টিকটক অত্যন্ত জনপ্রিয়।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ