বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ।। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১০ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার যানজট ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক: ট্রাম্পের আহ্বান নাকচ করল সৌদি ও পাকিস্তান দুপুরের মধ্যে ৭ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস ‘সাধারণ আলেম সমাজ’-এর ৭১ সদস্যের কমিটিতে যারা স্থান পেলেন সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহা আজ কালশি বস্তির অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে বিকেএম নেতৃবৃন্দ দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহকে খেলাফত মজলিসের পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা কুরবানি: গ্রামীণ অর্থনীতির মৌসুমি প্রাণশক্তি ভোলায় কালবৈশাখী ঝড়ে উড়ে গেল দাখিল মাদ্রাসার টিনের চাল এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় বিআরএফের আব্বাস উদ্দিন শায়ক

ঢাকায় ফ্রি খাবার; আপনিও খেতে পারেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

khabar2

সৈয়দ সাইফুল ইসলাম শোভন

ঢাকায় টাকা উড়ে। শুধুই কি টাকা?

এই ঢাকায় টাকায় কত কি যে পাওয়া যায় তার হিসেব নেই। টাকা হলে বাঘের দুধ মিলে। কিন্তু টাকা না হলেও অনেক কিছু ঢাকায় মিলে, যেমন খাবার। বিনামূল্যে খাবার, মাগনা খাবার।

প্রতিদিন ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বিনামূল্যে খাবার পাওয়া যায়। কোথাও ভাত-ডাল-সবজি, কোথাও তেহারী, কেথাও খিচুরী।

ধানমন্ডিতে যদি কোনদিন দুপুরে খাবারের সংকটে পড়েন তবে সাত মসজিদ রোডের আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের মেহমানখানার অতিথি হতে পারেন। শংকর থেকে ১৫ নাম্বার যাওয়ার পথে আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের অফিস। গতকাল আমি গিয়েছিলাম।

প্রতিদিন এখানে প্রায় হাজার দুই লোক দুপুরের খাবার খায়। যত খুশি তত খাও এই খাবার। কোন বাধা নেই। সারি সারি প্লেট সাজানো, পানির ট্যাংক, গ্লাস। হাত মুখ ধুয়ে। নাও আর খাও।

পোশাক আপনার যাই হোক না কেন? শেখ সাদীর মত আপনাকে এখানে বিব্রত হতে হবে না । এই মেহমানখানায় মেহমান হিসেবে সবাই সমান। পেটপুরে খেয়ে বাড়িতে নেওয়ার জন্য যদি আবদার করেন। তবে তাও রাজি মেহমানখানার লোকরা । আপনাকে পূণ আপ্যায়নেই নাকি তাদের পরিতৃপ্তি।

khabar3

আমি গিয়েছিলাম গাজী আহমদ উল্লা ভাইয়ের রুমে। কেন এই খাবার? প্রশ্নের উত্তরে প্রথমেই বলল। আগে একটু খেয়ে নিন, তারপর প্রশ্নের উত্তর।

আমরা পেটপুরে খিচুড়ী খেয়ে আবার জানতে চাইলাম।

কেন এই খাবার? প্রতিদিন হাজার হাজার লোক আমাদের এখানে খেতে আসে। আমরা তাদের মেহমানদারী করতে পারি। তাতেই কতৃপক্ষের সন্তুষ্টি।

রাস্তায় নেমে কথা বলি কয়েকজন রিকশা চালক, ভবঘুরে মানুষের সাথে খাবার কেমন?

উত্তর একটাই স্বাদে ও মানে ঢাকার যে কোন খাবার দোকানকে পিছনে ফেলে দিবে ।

এবার আপনার পালা । চাইলেই গ্রহণ করতে পারেন তাদের আপ্যায়ন।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ