বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ।। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১০ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার যানজট ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক: ট্রাম্পের আহ্বান নাকচ করল সৌদি ও পাকিস্তান দুপুরের মধ্যে ৭ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস ‘সাধারণ আলেম সমাজ’-এর ৭১ সদস্যের কমিটিতে যারা স্থান পেলেন সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহা আজ কালশি বস্তির অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে বিকেএম নেতৃবৃন্দ দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহকে খেলাফত মজলিসের পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা কুরবানি: গ্রামীণ অর্থনীতির মৌসুমি প্রাণশক্তি ভোলায় কালবৈশাখী ঝড়ে উড়ে গেল দাখিল মাদ্রাসার টিনের চাল এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় বিআরএফের আব্বাস উদ্দিন শায়ক

এই জায়গাগুলোতে দাওয়াতি কাজ করবে কে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

saimumসাইমুম সাদী; অনলাইন এক্টিভিস্ট

আমি দ্বীনের বিজয় চাই কিন্তু আমি কলেজে, বিশ্ববিদ্যালয়ে, সচিবালয়ে, আদালতে, কেবিনেটে, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে, রাজনীতিতে দ্বীনের দাওয়াত দিতে চাইনা, ওসব স্থানে যেতে চাইনা, তাহলে ভাই দ্বীনের বিজয় আসলে আপনি কোনখানে চান?

হক্কানিয়ত হক্কানিয়ত এইসব বিষয় তো আসলে নিছক দাবী করার বিষয় নয়, প্রতিষ্ঠা করার বিষয়। সমাজ ও সংস্কৃতি, রাস্ট্র ও রাজনীতি, মিডিয়া ও শিক্ষা ব্যাবস্থা যারা চালায় তারা ভার্সিটি থেকে বের হয়। আপনি ভার্সিটিতে যেতে চাননা। সেখানে দাওয়াতি কাজ করার কোন প্ল্যান নাই। আপনার সন্তানদেরকেও সেইসব স্থানে দাওয়াতি কাজের জন্য পাঠানোর বিরোধী আপনি।

মাদ্রাসার স্বীকৃতির সাথে সরকারি চাকরির কথা বলে, যারা স্বীকৃতি নেয় নাই তারা কি না খেয়ে মরে যাচ্ছে এইসব কথা আসলে কিজন্য বলেন আপনারাই জানেন। এইসব কথা বলে দাওয়াতি কাজ থেকে সরে আসার কোন সুযোগ কি আছে জানিনা। সার্টিফিকেটের স্বীকৃতি এজন্য লাগবে অন্তত কওমি মাদ্রাসার একজন ছাত্র যেন এই সার্টিফিকেট নিয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। এখানে খাওয়া না খাওয়ার প্রশ্ন নেই।

দ্বীন এবং সততা সংকুচিত করে নয় বিস্তারের মধ্যেই কল্যাণ নিহিত। সকল নবী ও রাসুল আ. দ্বীনি চেতনাকে বিস্তৃত করার কাজে সচেষ্ট ছিলেন। সুতরাং বিভক্তি নয় ঐক্যবদ্ধ ভাবেই একটি পজিটিভ সিদ্ধান্ত নেয়া খুবই জরুরি।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ